স্মরণসভায় মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি : সততার প্রতীক মুক্তিযোদ্ধা মহসীন খান

0
176

‘মরহুম মহসীন খান একজন সৎ, জ্ঞানী ও নির্লোভ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা বাংলায় শুরু হয় প্রতিরোধ ও মুক্তি সংগ্রাম। গড়ে উঠে মুক্তি বাহিনী। দ্বিধাহীন চিত্তে সামরিক বাহিনীর বাঙালির সদস্যগণ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এ অবস্থায় কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় মহসীন খানও বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম করে দেশের মানুষকে স্বাধীনতা অর্জন করিয়ে দিয়ে নিজের জীবনকে থামিয়ে রাখেননি। জনসেবার মানসে নিজ ইউনিয়ন পটিয়া ৯ নম্বর জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। চেয়ারম্যান হিসেবে মহসীন খান সফল ছিলেন। শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি লাভ করতে পারে না, এই বিশ্বাস তার মনে ছিল। তাই তিনি এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে ইউনিয়ন কৃষি স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও তার ব্যাপক সুনাম রেেয়ছে।
তিনি বলেন, তিনি তার শ্রম, মেধা, অর্থ দেশ ও জাতির কল্যাণে ব্যয় করেছেন। ত্যাগী এই নেতার আদর্শকে অনুস্মরণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে হবে। সততার প্রতীক ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মহসীন খান। একজন অত্যন্ত কর্মীবান্ধব ও চিন্তাশীল মানুষ হিসাবে মহসীন খান ইতিহাসে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন।
বুধবার বিকেল ৪টায় নগরীর ডি সি হিলের বিপরীতে এ কে খান মিলনায়নে (ফুলকি) মুক্তিযোদ্ধা মো. মহসীন খান স্মরণসভা কমিটি আয়োজিত পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, যুদ্ধকালীন গ্রুপ কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মহসীন খানের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি এসব কথা বলেন। মুক্তিযোদ্বা চৌধুরী মাহাবুবুর রমানের সভাপতিত্বে ও মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা এম এন ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা এম এ জাফর, মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস ইসলাম খান, মুক্তিযোদ্ধা রফিক চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মন্নান, মুক্তিযোদ্ধা মো ইছাক, মুক্তিযোদ্ধা মুছা আলম, মরহুমের সন্তান মোহাইমেনুল ইসলাম খান, ডা. কাজল বড়ুয়া প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি