স্পর্শিয়াকে খুঁজছে পুলিশ

0
201

সুপ্রভাত ডেস্ক :
পর্নগ্রাফি আইনে দায়ের করা মামলায় ‘নবাব এলএলবি’ ছবির পরিচালক অনন্য মামুন ও অভিনেতা শাহীন মৃধাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশ। ‘নবাব এলএলবি’ ছবিতে পুলিশকে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে অনন্য মামুন ও শাহীন মৃধাকে গ্রেফতার করা হয়।
বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে। শুক্রবার আদালতে নেয়া হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।
তারই ধারাবাহিকতায় চলচ্চিত্র নায়িকা অর্চিতা স্পর্শিয়াকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হলেও পরে তার নাম মামলার এজহার থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
মামলার এজহারে প্রথমে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ধর্ষণের শিকার এক নারী থানায় পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ করলে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রশ্নোত্তর দেখানো হয়েছে। সেখানে ধর্ষণের বর্ণনা ও জিজ্ঞাসাবাদ অত্যন্ত আপত্তিকর ভাষায় করা হয়েছে। যা সুস্থ বিনোদনের পরিপন্থী হওয়ায় পরিবার-পরিজনসহ একত্রে বসে দেখা সম্ভব নয় এবং যা জনসাধারণের মধ্যে পুলিশ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করবে। এই ভিডিওটি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্য অত্যন্ত মানহানিকর এবং ভিডিওর মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে জনসাধারণের সম্মুখে অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
কিন্তু পরে মামলার এজহার থেকে স্পর্শির নাম দেয়া হয়েছে। পুলিশ জানায়, ছবিতে অভিনেত্রী স্পর্শিয়া একজন ধর্ষিতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এখানে পুলিশকে হেয় করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা নেই। পরিচালকই এর জন্য মূলত দায়ী।
এর আগে ‘নবাব এলএলবি’ সিনেমার ওই দৃশ্যটি নিয়ে স্পর্শিয়া বলেন, আমি ধর্ষিত হয়ে পুলিশের কাছে গিয়েছি। সেখানে তারা এজহারনামা লিখছে। এজহারনামায় যা যা থাকে তার উত্তর দিয়েছি। আর যখন সিনেমাটির শুটিং হয় তখন বলছিলাম, এজহারনামা লিখতে পুলিশ প্রশ্ন করবে। তার উত্তর দিতে হবে। কিন্তু যেভাবে ডায়ালগগুলো দেয়া হয়েছে তা পুলিশের জন্য হেয় করা হয়েছে। সিনেমাটির যদি সেন্সর করা হতো তাহলে ওই দৃশ্যটিসহ সিনেমাটি সেন্সর হতো না।
প্রসঙ্গত, ১৬ ডিসেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আই থিয়েটারে মুক্তি দেয়া হয়েছিল ‘নবাব এলএলবি’ সিনেমাটি। সিনেমার একটি দৃশ্য পুলিশকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। দৃশ্যে দেখানো হয়েছে, ধর্ষণের শিকার এক নারী মামলা করার জন্য থানায় যান। সেখানে পুলিশের এক এসআই (অভিনয় করেছেন শাহীন মৃধা) ওই নারীকে ধর্ষণ বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন, যা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ। খবর : ডেইলিবাংলাদেশ’র।