নার্সিং-মিডওয়াইফারি সেক্টরের পেশাগত সংস্কার ও দীর্ঘদিনের বৈষম্য নিরসনের দাবিতে রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত (২ ঘণ্টা) দেশের সব সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে প্রতীকী শাটডাউন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএনএ) এবং বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি (বিএমএস)।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিএনএ সভাপতি ড. মো. শরিফুল ইসলাম এবং মহাসচিব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য উপদেষ্টার আশ্বস্তকরণের পরও ১৪ মাস ধরে নার্স ও মিডওয়াইফদের পেশাগত উন্নয়ন ও প্রশাসনিক বৈষম্য দূরীকরণে কোনো বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এর পাশাপাশি ৪৮ বছরের স্বতন্ত্র নার্সিং প্রশাসন ও নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরকে বিলুপ্ত করে নতুনভাবে একীভূত করার ‘অপচেষ্টা’—কর্মীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, সব জেলা, উপজেলা, বিভাগ ও মহানগরের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কার্যালয়ের সামনে নার্স ও মিডওয়াইফরা দুই ঘণ্টার প্রতীকী শাটডাউন পালন করবেন। একইসঙ্গে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও কর্মসূচি চলবে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, ১ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হলে ২ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ শুরু হবে। সে সময়ে সকাল–বিকেল–রাত্রীকালীন সব শিফটে অবস্থান কর্মসূচি চলবে। তবে যেসব স্পর্শকাতর ইউনিট জরুরি বিভাগ, জরুরি ওটি, এনআইসিইউ, আইসিইউ, সিসিইউ, ডায়ালাইসিস—এসবের জন্য জরুরি সেবা স্কোয়াড গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তারা বলেন, আশ্বাসের পরও ১৪ মাস ধরে দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকেই নিতে হবে।
















































