মিটিং-কমিটি করে নয়, স্পটে থেকে সমস্যার সমাধান করা হবে : সুজন

0
307
আরাকান সড়কে ক্যারাভান কর্মসূচিতে স্কুটি নিয়ে রাস্তা পরিদর্শন করছেন চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন - সুপ্রভাত

নগরসেবায় ক্যারাভান কার্যক্রম শুরু

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে আমি তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে নেমেছি। যে স্থায়ী সমস্যাগুলো আছে তার সমাধান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছি। পরবর্তী সময়ে যারা মেয়র পদে দায়িত্ব পালন করবেন, তারা যাতে এই নির্দেশনানুযায়ী স্থায়ী সমাধান দিতে পারেন সেজন্য নগরবাসীর পরামর্শ এবং তাদের আবেদন-নিবেদন আমি জ্ঞাত হতে চাই। এজন্য যে-কেউ যেকোনো সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন  এবং এজন্য আমি মুখিয়ে আছি।

গতকাল দুপুরে নগরীর বহদ্দারহাট আরাকান সড়কে তাঁর ঘোষিত নগরসেবার ক্যারাভান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে তিনি এ কথা বলেন। প্রশাসক সুজন বলেন, জনদুর্ভোগের যে কারণগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, তা চিহ্নিত করে সুরাহা করাটা আমার কর্তব্য। সুরাহা করতে গিয়ে যে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হবো তা অবশ্যই অতিক্রম করবো। আমার এই উদ্দেশ্যপূরণে চসিকের সকল বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দিয়েছি। কেউ অর্পিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে তাকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে।

নগরসেবায় ক্যারাভান কার্যবিধি সম্পর্কে সুজন বলেন, নগরীর সড়ক ও জনপথ, ড্রেন-ফুটপাতে যে সমস্যা বিদ্যমান তা মিটিং কিংবা কমিটি গঠন করে সমাধান করা যাবে না। স্পটে উপস্থিত থেকে তা সমাধান করা হবে। ক্যারাভান কার্যক্রমের অধীনে চলতি পথে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, নষ্ট সড়কবাতি, পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমসহ যে সকল সমস্যার কারণে নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করছি।

এ সময় প্রশাসক পথচারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়  মাস্ক তুলে দিয়ে বলেন, আজ প্রথমদিন। পরবর্তী সময়ে  সপ্তাহে অন্তত একদিন এই প্রোগ্রাম নিয়ে নগরীর অন্যান্য প্রধান সড়কগুলোতে যাব। প্রধান সড়কের কাজ সম্পন্ন হলে অলিগলিতে যাব। মূলত এই কর্মসূচির মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে নাগরিক সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব। শুনবো নগরবাসীর অভিযোগ ও পরামর্শ।

এ সময় সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় করেন প্রশাসক। তিনি তাদের অভাব-অভিযোগ শুনে তা সমাধানের দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় সাবেক কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন সাইফু, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ সফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সালেহ, নির্বাহী প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, রাজনীতিক নিজাম উদ্দিন আহমেদ নিজু, মোরশেদ আলম ও নোমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি