বাকশিসের ভার্চুয়াল সভায় অধ্যক্ষ আসাদুল হক : শিক্ষক স্বার্থ বিরোধী ধারা যুক্ত করবেন না

0
214

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি-বাকশিস এর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও প্রবীণ শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ আসাদুল হক বেসরকারি কলেজে অনুপাত প্রথা বাতিল করে ৮ বছর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে এবং পরবর্তী দুই স্তর তথা সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদ কাঠামোতে যুক্ত করে পদোন্নতি দেয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করার দাবি জানিয়েছেন।
জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা সংশোধনে এর ব্যত্যয় ঘটলে বা সারাদেশের শিক্ষকদের এই দাবি উপেক্ষা করা হলে শিক্ষক সমাজ কোনভাবেই তা মানবেন না।
তিনি মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ভাবনার আলোকে এবং মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট জাতীয় নীতিমালার ভিত্তিতে শিক্ষা জাতীয়করণ করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে শিক্ষা জাতীয়করণ ঘোষণা হবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য পুরস্কার এবং জাতির পিতার প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান।
অধ্যক্ষ আসাদুল হক বলেন, ননএমপিও শিক্ষকদের রক্ষা করা সরকার ও প্রতিষ্ঠানের মৌলিক ও মানবিক দায়িত্ব। তিনি তাদের বেতন প্রদানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান।
আসাদ শিক্ষক নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপ আলোচনা ছাড়াই শিক্ষা ও শিক্ষক স্বার্থ বিরোধী ধারা উপধারা সংযোজন বিয়োজন করে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ সংশোধন করা হলে শিক্ষায় পুনরায় সংকট সৃষ্টির আশংকা প্রকাশ করেন। তিনি অবিলম্বে করোনা প্রাদুর্ভাবে শিক্ষা ক্ষেত্রে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলা করার লক্ষ্যে শিক্ষকদের আশু ১১ দফা দাবি এবং জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা সংশোধনকল্পে বাকশিস এর ১১ দফা প্রস্তাব নিয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিকট দাবি জানিয়েছেন।
বাকশিস চট্টগ্রাম জেলা শাখার ভার্চুয়াল সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখার সময় উপরোক্ত দাবি জানান।
বাকশিস কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরী সভায় বলেন, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় স্বাধীনতা পরবর্তী শিক্ষা ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এ পরিকল্পনার আলোকে জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ সংশোধন এবং শিক্ষা জাতীয়করণ করার পরিকল্পনাও গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
বাকশিস চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরীর সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল সভায় বক্তব্য রাখেন বাকশিস নেতৃবৃন্দ অধ্যক্ষ সমীর কান্তি দাশ, অধ্যাপক আবু জাফর সিদ্দিকী, অধ্যাপক সুকুমার দত্ত, অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন, অধ্যক্ষ মারুফুল ইসলাম, অধ্যক্ষ আবু মোহাম্মদ, অধ্যক্ষ আবু তৈয়ব, অধ্যক্ষ শ্যামল কান্তি মজুমদার, অধ্যক্ষ জামাল উদ্দিন, উপাধ্যক্ষ সমীর রঞ্জন নাথ, অধ্যাপক কাজী মহিউদ্দিন, অধ্যাপক এস এম রাশেদ, অধ্যাপক এস এম তৈয়ব, অধ্যাপক কামাল উদ্দিন, অধ্যাপক জমির হায়দার বাবলা, অধ্যাপক লুৎফুল কিবরিয়া, অধ্যাপক জাফর আহমদ, অধ্যাপক খাজা বাহাউদ্দীন প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি