ফাইনালে পুতু একাদশ

0
170
????????????????????????????????????

এ জেড এম হায়দার :
টানা দুই জয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আবু তাহের পুতু একাদশ। গতকাল সন্ধ্যায় এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে মুজিববর্ষ ফুটবল টুর্নামেন্টের তৃতীয় দিনের খেলায় তারা আবারো ৩-১ গোলে এস এম কামালউদ্দিন একাদশের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে। এতে দু খেলায় পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে এক খেলা হাতে রেখে ফাইনালে পৌঁছে গেছে। আর কামালউদ্দিন একাদশের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে। ২ খেলা থেকে তাদের পয়েন্ট এক। বিজয়ী দলের শাহেদুল, জুয়েল ও মিজানুর এবং বিজিত দলের অধিনায়ক শাখাওয়াত রনি গোল করেন। ম্যাচসেরা বিজয়ী দলের মিজানুরের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সিজেকেএস নির্বাহী সদস্য ও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদ দুলাল। আজ চতুর্থ দিনের খেলায় ডা. কামাল এ খান ও রফিক আহমেদ একাদশ বিকেল ৫টায় মাঠে নামবে।
উদ্বোধনী দিনের খেলায়ও পুতু একাদশ ৩-১ গোলে রফিক আহমেদ একাদশকে পরাজিত করে ছিল। ঐ দিনের মত দলীয় সমঝোতা বজায় রেখে যোগ্যতর দল হিসেবে সোমবারও জয় পায় আবু তাহের পুতু একাদশ। তবে প্রথমে পিছিয়ে গেলেও তারা পরিকল্পিত আক্রমণে প্রতিপক্ষ রক্ষণব্যুহকে ব্যতিব্যস্ত করতে পিছ পা হয়নি। ৯ মিনিটে তাদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এলেও বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে রহিম শট নিলে গোলমুখের কাছ থেকে কামারউদ্দিন একাদশের একজন ডিফেন্ডার কর্নার করে দলকৈ বিপদমুক্ত করেন । তবে ১১ মিনিটে প্রথম পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্বস্বিতে থাকে এস এম কামালউদ্দিন একাদশ। ডান দিক থেকে রাব্বির ফ্রি কিকে শাখাওয়াত রনির হেড কিপার সোহেল ফিরিয়ে দিলে পুনরায় রনির হেড জালের ঠিকানা খুঁজে পায় ( ১-০)। ২ মিনিট পর বোরহানের বিপজ্জনক শট কিপার সোহেল ঠেকালে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি হায়দার কবির প্রিন্সের শিষ্যরা। সমতা আনার চেষ্টা চালিয়ে ৪০ মিনিটে সফল হয় নাছিরউদ্দিনের পুতু একাদশ। পেনাল্টি থেকে শাহেদুল বল জালে পাঠালে সমতা ফিরে (১-১)। বক্সে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় পুতু একাদশের একজন ফরোয়ার্ডকে কিপার মিনহাজ অবৈধভাবে বাধা দিলে রেফারি জি এম চৌধুরী নয়ন পেনাল্টির নির্দেশ দেন। এর আগে ২২ মিনিটে কামালউদ্দিন একাদশের বোরহানের বিপজ্জনক শট কিপার সোহেলের কৃতিত্বে প্রতিহত হয়। সমতার মধ্য দিয়ে প্রথমার্ধ শেষ হলে দ্বিতীয়ার্ধের ৬ মিনিটে জুয়েলের একক কৃতিত্বে লিড নেয় পুতু একাদশ। ডানপ্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢুকে আগুয়ান কিপারকে পরাস্ত করে ডিফেন্ডার জুয়েল বল জালে পাঠান (২-১)। ৪০ মিনিটে দলের পক্ষে তৃতীয় ও শেষ গোল করেন মিজানুর। বামপ্রান্ত দিয়ে ১ জনকে পরাস্ত করে রুম্মানের ক্রস বড় ডি-বক্সে একেবারে ফাঁকায় পেয়ে মিজানুর জোরালো শটে বল জালে জড়ান (৩-১)।