সুপ্রভাত বাংলাদেশ

একটি ফোনকলও হতে পারে হাসপাতালের ব্র্যান্ডের প্রথম পরিচয়

ফ্রেশার থেকে ফিউচার লিডার: কর্মক্ষেত্রে তরুণদের নতুন বাস্তবতা

২০ বছরে কর্ণফুলী ইপিজেডে বিনিয়োগ বেড়েছে ৪১২ গুণ

  • সর্বশেষ
  • বিজনেস
    • চট্টগ্রাম বন্দর
    • কাস্টমস
    • এনবিআর
    • শিপিং
    • ব্যাংক-বীমা
    • শেয়ারবাজার
    • করপোরেট
    • শিল্পবাণিজ্য সংবাদ
    • বিনিয়োগ
    • জ্বালানি
    • এভিয়েশন
    • টেলিকম
    • উদ্যোক্তা
    • বিশ্ব অর্থনীতি
  • মহানগর
    • সিটি কর্পোরেশন
    • সিএমপি
    • জেলা প্রশাসন
    • বিদ্যুৎ
    • হাসপাতাল
    • রেলওয়ে
    • ওয়াসা
    • সিডিএ
    • আবহাওয়া
    • কারাগার
    • গণপরিবহন
    • বাজার
    • দুর্নীতি দমন কমিশন
    • সংগঠন সংবাদ
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
    • চট্টগ্রাম জেলা
      • কর্ণফুলী
      • বোয়ালখালী
      • পটিয়া
      • আনোয়ারা
      • চন্দনাইশ
      • সাতকানিয়া
      • লোহাগাড়া
      • বাঁশখালী
      • মিরসরাই
      • সন্দ্বীপ
      • সীতাকুণ্ড
      • হাটহাজারী
      • রাউজান
      • রাঙ্গুনিয়া
      • ফটিকছড়ি
    • কক্সবাজার
      • কক্সবাজার সদর
      • রামু
      • ঈদগাঁও
      • চকরিয়া
      • পেকুয়া
      • মাতামুহুরী
      • কুতুবদিয়া
      • মহেশখালী
      • উখিয়া
      • টেকনাফ
    • রাঙ্গামাটি
      • রাঙ্গামাটি সদর
      • বাঘাইছড়ি
      • বরকল
      • বিলাইছড়ি
      • জুরাছড়ি
      • লংগদু
      • কাউখালী
      • কাপ্তাই
      • নানিয়ারচর
      • রাজস্থলী
    • বান্দরবান
      • বান্দরবান সদর
      • লামা
      • আলীকদম
      • থানচি
      • নাইক্ষ্যংছড়ি
      • রোয়াংছড়ি
      • রুমা
    • খাগড়াছড়ি
      • খাগড়াছড়ি সদর
      • দীঘিনালা
      • মহালছড়ি
      • মাটিরাঙ্গা
      • পানছড়ি
      • মানিকছড়ি
      • গুইমারা
      • লক্ষ্মীছড়ি
      • রামগড়
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াতে ইসলামী
    • জাতীয় পার্টি
    • এনসিপি
    • হেফাজতে ইসলামী
    • যুবদল
    • যুবলীগ
    • ছাত্রদল
    • ছাত্রলীগ
    • ছাত্রশিবির
    • ছাত্রশক্তি
    • শ্রমিক দল
    • শ্রমিক লীগ
    • শ্রমিক ফেডারেশন
  • শিক্ষা
    • ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য
  • স্বদেশ
    • জাতীয়
    • অপরাধ-আদালত
    • সরকার
    • সংসদ
    • প্রশাসন
    • পরিবেশ-জলবায়ু
    • প্রতিরক্ষা
    • নির্বাচন
    • নারী
  • আন্তর্জাতিক
    • এশিয়া
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • আফ্রিকা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • ভারত
    • চীন
    • পাকিস্তান
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • অন্য খেলা
  • ফিচার
    • মতামত
      • সম্পাদকীয়
      • বিশেষ সংখ্যা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • এলাটিং বেলাটিং
    • বিনোদন-সংস্কৃতি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • খাবারদাবার
    • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ
    • চাকরি
  • ভিডিও
  • English
ই-পেপার
সুপ্রভাত বাংলাদেশসুপ্রভাত বাংলাদেশ
  • বিজনেস
  • মহানগর
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
  • স্বদেশ
  • রাজনীতি
  • অপরাধ-আদালত
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • ফিচার
  • লাইফস্টাইল
  • ভিডিও
সার্চ
  • সর্বশেষ
  • বিজনেস
    • চট্টগ্রাম বন্দর
    • কাস্টমস
    • এনবিআর
    • শিপিং
    • ব্যাংক-বীমা
    • শেয়ারবাজার
    • করপোরেট
    • শিল্পবাণিজ্য সংবাদ
    • বিনিয়োগ
    • জ্বালানি
    • এভিয়েশন
    • টেলিকম
    • উদ্যোক্তা
    • বিশ্ব অর্থনীতি
  • মহানগর
    • সিটি কর্পোরেশন
    • সিএমপি
    • জেলা প্রশাসন
    • বিদ্যুৎ
    • হাসপাতাল
    • রেলওয়ে
    • ওয়াসা
    • সিডিএ
    • আবহাওয়া
    • কারাগার
    • গণপরিবহন
    • বাজার
    • দুর্নীতি দমন কমিশন
    • সংগঠন সংবাদ
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
    • চট্টগ্রাম জেলা
    • কক্সবাজার
    • রাঙ্গামাটি
    • বান্দরবান
    • খাগড়াছড়ি
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াতে ইসলামী
    • জাতীয় পার্টি
    • এনসিপি
    • হেফাজতে ইসলামী
    • যুবদল
    • যুবলীগ
    • ছাত্রদল
    • ছাত্রলীগ
    • ছাত্রশিবির
    • ছাত্রশক্তি
    • শ্রমিক দল
    • শ্রমিক লীগ
    • শ্রমিক ফেডারেশন
  • শিক্ষা
    • ক্যাম্পাস
  • স্বাস্থ্য
  • স্বদেশ
    • জাতীয়
    • অপরাধ-আদালত
    • সরকার
    • সংসদ
    • প্রশাসন
    • পরিবেশ-জলবায়ু
    • প্রতিরক্ষা
    • নির্বাচন
    • নারী
  • আন্তর্জাতিক
    • এশিয়া
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • আফ্রিকা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • ভারত
    • চীন
    • পাকিস্তান
  • খেলা
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • টেনিস
    • অন্য খেলা
  • ফিচার
    • মতামত
    • শিল্প-সাহিত্য
    • এলাটিং বেলাটিং
    • বিনোদন-সংস্কৃতি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • খাবারদাবার
    • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ
    • চাকরি
  • ভিডিও
ফলো করুন
© 2025-2026 Suprobhat Bangladesh. All Rights Reserved.

সম্পাদকের বাছাই

চট্টগ্রামে ২৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীর ফরেস্টার কোর্স শুরু
‘প্রস্থ কম নয়, বরং বেশি’—জিইসি ফুটওভার ব্রিজ নিয়ে মেয়রের জবাব
সিঅ্যান্ডএফ কর্মীকে মেরে বরখাস্ত বন্দরকর্মী
চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা
সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগ
পচনশীল পণ্য ই-নিলামে বিক্রির নির্দেশ

পুরনো বৃত্তে ফিরে গেল মিয়ানমার

নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
শেয়ার

রায়হান আহমেদ তপাদার »

মিয়ানমারের স্বাধীনতার নায়ক জেনারেল অং সানের মেয়ে অং সান সু চি। তার যখন দুই বছর বয়স তখন তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছিল। ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র দুই বছর পর এই হত্যাকা- ঘটেছিল। মিস সু চিকে একসময় মানবাধিকারের বাতিঘর বলা হত- যিনি একজন নীতিবান অধিকারকর্মী হিসেবে দশকের পর দশক ধরে মিয়ানমারের শাসন ক্ষমতায় থাকা নির্দয় সামরিক জেনারেলদের চ্যালেঞ্জ করতে নিজের স্বাধীনতাকে জলাঞ্জলি দিয়েছিলেন।১৯৯১ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরষ্কার দেয়া হয় এবং তাকে ‘ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতার অনন্য উদাহরণ’ হিসেবে সম্বোধন করা হতো। তখনও তিনি গৃহবন্দিই ছিলেন।১৯৮৯ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে অন্তত ১৫ বছর বন্দি জীবন কাটিয়েছেন মিস সু চি।২০১৫ সালের নভেম্বরে ২৫ বছরের মধ্যে প্রথমবার অনুষ্ঠিত অবাধ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি এনএলডি’র নেতৃত্ব দেন এবং যাতে বড় ধরণের জয় পান তিনি। মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি কারণ তার সন্তানেরা বাইরের দেশের নাগরিক। তবে ৭৫ বছর বয়সী সু চি একজন ডি ফ্যাক্টো নেতা হিসেবেই সুপরিচিত।তবে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর তার নেতৃত্বকে দেশটিতে মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতি হওয়া আচরণ দিয়েই বর্ণনা করা হয়।
দুই হাজার সতেরো সালে রাখাইন রাজ্যে পুলিশ স্টেশনে প্রাণঘাতী হামলার পর রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাবাহিনীর নির্যাতন শুরু হলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেয়। তবে মিস সু চির সাবেক আন্তর্জাতিক সমর্থকরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে, তিনি ধর্ষণ, হত্যা এবং সম্ভাব্য গণহত্যা রুখতে কোন পদক্ষেপ নেননি এবং ক্ষমতাধর সামরিক বাহিনীর নিন্দা কিংবা তাদের নৃশংসতার মাত্রাও স্বীকার করেননি।প্রাথমিকভাবে অনেকেই তার পক্ষে যুক্তি দেয়ার চেষ্টা করে বলেছেন যে, তিনি একজন বাস্তববাদী রাজনীতিবিদ যিনি বহু-জাতি বিশ্বাসের সম্প্রদায়ভুক্ত একটি দেশ শাসন করছেন যার জটিল ইতিহাস রয়েছে।
তবে ২০১৯ সালে হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে অনুষ্ঠিত শুনানিতে সামরিক বাহিনীর পদক্ষেপের বিষয়ে তার নিজের স্বপক্ষে উপস্থাপিত যুক্তি মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এর পর তার আন্তর্জাতিক সুনাম বলতে তেমন কিছু অবশিষ্ট থাকে না। দেশের ভেতরে ‘দ্য লেডি’ নামে পরিচিত মিস সু চি বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় যারা রোহিঙ্গাদের প্রতি তেমন সহানুভূতিশীল নয়। গত ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে এনএলডি পার্টি ৮৩% আসন পায় যাকে মিস সু চির বেসামরিক সরকারের প্রতি সর্বসাধারণের অনুমোদন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ২০১১ সালে সামরিক শাসন শেষ হওয়ার পর এটি দ্বিতীয় বার নির্বাচন ছিল মাত্র।তবে সামরিক বাহিনী নির্বাচনের ফলকে বাধাগ্রস্ত করেছে। তারা সুপ্রিম কোর্টে দেশটির প্রেসিডেন্ট এবং ইলেক্টোরাল কমিশনের প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে।
সম্প্রতি সামরিক বাহিনী নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলার পর থেকে সামরিক অভ্যুত্থানের শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। বিবিসির দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া সংবাদদাতা জনাথান হেড জানিয়েছেন, যদিও গত সপ্তাহে সামরিক বাহিনী সংবিধান মেনে চলার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছে তার পরও এটাকে পুরো মাত্রায় সামরিক অভ্যুত্থান বলেই মনে হচ্ছে। এক দশকেরও বেশি সময় আগে সংবিধান তৈরি করা হয়েছিল।বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী সামরিক বাহিনী উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা রয়েছে যার মাধ্যমে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারে তারা। কিন্তু মিস সু চির মতো রাজনৈতিক নেতাকে আটক করার ঘটনা উস্কানিমূলক এবং খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এমন পদক্ষেপ তীব্র বাঁধার মুখে পড়বে। রাখাইন রাজ্যে নতুন করে ভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর অধিবাসীদের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধাপরাধ সংঘটন’ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। নতুন এক প্রতিবেদনে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে, ভিন্ন জাতির বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী গেরিলা বাহিনীর সদস্যরা সেনাবাহিনীর হাতে ঢালাওভাবে গ্রেপ্তার হওয়ার পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত হত্যা এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আরাকান আর্মি বিদ্রোহীদের নিশ্চিহ্ন করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা আসার পর ঐ অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। মিয়ানমারের এই সেনা অভ্যুত্থান এখন নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যে সেনাবাহিনী এতদিন অং সান সু চির সঙ্গে সম্পর্ক রেখে পর্দার অন্তরালে থেকে ক্ষমতা পরিচালনা করে আসছিল, হঠাৎ এমন কী ঘটল যে, সেনাবাহিনীকে ক্ষমতা নিতে হবে? ক্ষমতার এই পরিবর্তনের ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রশ্নে আদৌ কোনো পরিবর্তন আসবে কিনা? সেনাবাহিনীর এই ক্ষমতা গ্রহণ চীন ও ভারত কোন দৃষ্টিতে দেখবে?সেনাবাহিনী তাদের স্বার্থে সু চিকে ব্যবহার করেছিল।
কিন্তু তাতে করে মিয়ানমারের মূল সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি। মূল সমস্যা হচ্ছে,মিয়ানমারের জাতিগত দ্বন্দ্বের একটা সমাধান। জাতিগতভাবে বিভক্ত মিয়ানমারের সশস্ত্র তথা বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের ইতিহাস অনেক পুরনো। গেল পাঁচ বছর অং সান সু চি এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেননি এবং এর কোনো সমাধানও করেননি। এখন সেনাবাহিনী ক্ষমতা গ্রহণ করেছে। তারাও এ সমস্যার সমাধান করবে না। আর জাতিগত দ্বন্দ্বের কোনো সমাধান দিতে পারবে না সেনাবাহিনী। প্রায় ১১ লাখ মিয়ানমারের নাগরিক (রোহিঙ্গা) এখন বাংলাদেশে আশিত জীবনযাপনের কারণে। এদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সেনাবাহিনীর কোনো লক্ষণীয় উদ্যোগও থাকবে না। জনগোষ্ঠীর একটা অংশকে বাইরে রেখে যে নির্বাচন হয়েছিল সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফিরে আসবে না।
যে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য অং সান সু চি বিশ্বব্যাপী এক সময় প্রশংসিত হয়েছিলেন এবং নোবেল শাািন্ত পুরস্কারও পেয়েছিলেন, তিনি গণতান্ত্রিক বিশ্বে একজন নিন্দনীয় ব্যক্তি। ব্যক্তিগত স্বার্থে তিনি গণহত্যার মতো বিষয়টি বারবার এড়িয়ে গেছেন।
ইতিহাস তাকে ক্ষমা করবে না। মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণ নতুন কিছু নয়। মিয়ানমারে সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেছে। আবারও পুরনো বৃত্তে ফিরে গেল মিয়ানমার। একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে চলে গেল দেশটি এখন। শেষ রক্ষা হলো না অং সান সু চির। গত ৮ নভেম্বর মিয়ানমারের নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন।
চলতি বছরের এক ফেব্রুয়ারি সংসদ অধিবেশন বসার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সেনাবাহিনী সেখানে ক্ষমতা গ্রহণ করল। অং সান সু চি ছিলেন মিয়ানমারের শীর্ষ নেত্রী, স্টেট কাউন্সিলর। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন তার দল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির নেতা উইন মিনত। সেনাবাহিনীর হাতে অং সান সু চি, উইন মিনতসহ দলের শীর্ষ নেতারা সবাই বন্দি। কার্যত সেনাপ্রধান মিন আউং হল্লাইয়ং এখন প্রেসিডেন্টের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
গত চার বছর অং সান সু চি সেনাবাহিনীর সঙ্গে একটা ‘সখ্য’ তৈরি করে, সেনাবাহিনীর সব অপকর্মকে সমর্থন করে নিজে ক্ষমতা পরিচালনা করে আসছিলেন।
সেনাবাহিনী যখন ১১ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমানকে রাখাইন থেকে উচ্ছেদ করল, রাখাইনে গণহত্যায় জড়িত হলো, তখন অং সান সু চি অত্যন্ত নগ্নভাবে সেনাবাহিনীকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। এমনকি হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে সেনাবাহিনীর পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন। রোহিঙ্গা গণহত্যা ও নির্যাতনের দায়ভার সু চি এড়াতে পারেন না। এ কারণে সু চি আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দিত হয়েছেন। তার অনেক খেতাব কেড়ে নেওয়া হয়েছে। সারাবিশ্বই তার প্রতি ধিক্কার জানিয়েছিল। শুধু ক্ষমতার লোভে অং সান সু চি এতদিন ক্ষমতা পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্তু যে সেনাবাহিনীর সব অপকর্ম তিনি এতদিন সমর্থন করে এসেছিলেন, সেই সেনাবাহিনীই তাকে উৎখাত করল।

লেখক : গবেষক ও কলামিস্ট
ৎধরযধহ৫৬৭@ুধযড়ড়.পড়স

Ad image
চট্টগ্রামে ২৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীর ফরেস্টার কোর্স শুরু
‘প্রস্থ কম নয়, বরং বেশি’—জিইসি ফুটওভার ব্রিজ নিয়ে মেয়রের জবাব
সিঅ্যান্ডএফ কর্মীকে মেরে বরখাস্ত বন্দরকর্মী
চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা
সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগ
লটারিতে ঢাকার ‘প্রাইজ পোস্টিং’ পেলেন চট্টগ্রামের তিন সাব-রেজিস্ট্রার
বুলেট হাতে ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
আনোয়ারায় অস্ত্র হাতে মহড়া দেওয়া ‘বুলেট শিবলু’ গ্রেপ্তার
বরাদ্দ প্লটের অনেকগুলোই খালি
আন্তর্জাতিক মিডিয়া ফেস্টে চট্টগ্রামের একঝাঁক শিক্ষার্থী
সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান
চট্টগ্রাম বন্দর/ আন্দোলনেও ‘জনস্বার্থের সিদ্ধান্ত’ থেকে পিছু হটবে না সরকার

আর্কাইভ

আরও পড়ুন

স্মার্ট মিটার, কিন্তু গ্রাহকের ভোগান্তি কেন?

একটি ফোনকলও হতে পারে হাসপাতালের ব্র্যান্ডের প্রথম পরিচয়

বয়স্কবান্ধব সমাজ ও দেশ গড়ে তুলতে হবে

সারের বদলে আসছে মাদক নিরাপত্তাহীন সীমান্ত

সুপ্রভাত বাংলাদেশ

সম্পাদক : রুশো মাহমুদ  |  প্রকাশক : মোহাম্মদ ওমর ফারুক

  • বিজনেস
  • বন্দর ও বাণিজ্য
  • মহানগর
  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম
  • স্বদেশ
  • অপরাধ
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • বিশ্ব
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • লাইফস্টাইল
  • রাজনীতি
  • ইপেপার
  • বিশেষ সংখ্যা
  • নারী
  • বিজ্ঞাপন
  • সার্কুলেশন
  • নীতিমালা
  • যোগাযোগ

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: কর্ণফুলী টাওয়ার, ৬৩ এস এস খালেদ রোড, চট্টগ্রাম ৪০০০।
ফোন: 02333363044-45   E-mail : [email protected]

স্বত্ব © ২০১০-২০২৬ সুপ্রভাত বাংলাদেশ
Welcome Back!

Sign in to your account

ইউজার নেইম অথবা ইমেইল ঠিকানা
পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?