পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

সুপ্রভাত ডেস্ক »

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম মহাসমাবেশকে ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) মঞ্চ নির্মাণ, সাউন্ড সিস্টেম, বিদ্যুৎ সংযোগ, ব্যানার-ফেস্টুন স্থাপনসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার সকাল থেকেই পলোগ্রাউন্ড মাঠ ও আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। মাঠের ভেতরে মূল মঞ্চের শেষ কাজ, চেয়ার ও ব্যারিকেড স্থাপন এবং প্রবেশ ও বহির্গমন পথ চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের কথা বিবেচনায় রেখে পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা জোরদার এবং অস্থায়ী শৌচাগার স্থাপন করা হয়েছে।

সমাবেশস্থলের প্রস্তুতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি মাঠের অবকাঠামোগত প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ও জনদুর্ভোগ এড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ নগরী। এই মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা এবং জনদুর্ভোগ এড়ানোর বিষয়গুলো সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। মহাসমাবেশটি শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

এদিকে মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। জনশৃঙ্খলা, শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে আগামী ২৪ ও ২৫ জানুয়ারি মহানগর এলাকায় অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইট-পাথর বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন এবং রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিরোধী কোনো বস্তু প্রদর্শন বা প্ল্যাকার্ড বহনেও নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।

সিএমপি জানিয়েছে, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮-এর ২৯ ধারার ক্ষমতাবলে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, রোববার (২৫ জানুয়ারি) মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর তার চট্টগ্রাম আগমনকে ঘিরে নগর ও আশপাশের জেলা থেকে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে।

বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং মহাসমাবেশটি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে বলে তারা আশাবাদী। সমাবেশে কয়েক লাখ নেতাকর্মীর সমাগম হবে বলে আশাবাদী নেতারা।