নিজস্ব আয়বর্ধক প্রকল্প গ্রহণ সময়ের দাবি

0
72

নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে মেয়র
‘নগরীর ব্যাপক অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সুন্দর পরিচ্ছন্ন আবাসযোগ্য নান্দনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বিশাল অর্থ প্রয়োজন। বাস্তব সত্য হচ্ছে সেই সক্ষমতা আমাদের নেই। তারপরও উন্নয়ন থেমে থাকতে পারে না। তাই সরকারের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজস্ব আয়বর্ধক প্রকল্প গ্রহণ করা আজ সময়ের দাবি।’
গতকাল বিকেলে নগরীর বিবিরহাট কাঁচাবাজার, চকবাজার মাছবাজার, লালচাঁন্দ রোড, স্টেশন রোডস্থ বিআরটিসি এলাকা পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, নগরীর সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে এবং নালা-নর্দমা-খাল দখল করে যারা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সিটি করপোরেশনে বসবাসকারী প্রত্যেককে প্রচলিত আইন-কানুন ও বিধিমাল শতভাগ অনুসরণ ও পালন করতে হবে। এই ক্ষেত্রে কাউকে তিল পরিমাণ ছাড় দেয়ার অবকাশ নেই। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের যে সম্পদগুলো আছে, সেগুলোর উপযুক্ত ব্যবহার করতে পারলে সক্ষমতা বাড়বে। যে মার্কেট ও বাজারগুলো আছে সেগুলোর ব্যবস্থাপনাগত বিন্যাসের মাধ্যমে আয়ের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে হবে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, অতীতে বেশ কিছু আয়বর্ধক প্রকল্প ছিলো এবং এই থেকে সিটি করপোরেশনের আয় ও সম্পদের ভাণ্ডার মজবুত হতো কিন্তু সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারিনি। দায়িত্বপালনকালে সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয়ের উৎসগুলোর পরিধি বাড়াবো এবং রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়াকে সহজতর করবো যাতে নগরবাসী কর প্রদানে উৎসাহিত হয়।
তিনি উল্লেখিত এলাকাগুলো পরিদর্শনকালে জনসাধারণের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক ও হ্যান্ড সেনিটাইজার বিতরণ করে বলেন, করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকারি নির্দেশনা শতভাগ মেনে চলতে হবে, জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান সীমিত আয়োজনের মধ্যে করতে হবে। ঘরের বাইরে রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার ও পরিবহনে চলাচলে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। নিজের ও অপরের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে আত্মঘাতীর পথে নিপতিত হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দীন, বিপ্লব দাশ, এস্টেট অফিসার মো. কামরুল ইসলাম চৌধুরী। বিজ্ঞপ্তি