চসিকের প্যানেল মেয়র লিটন-গিয়াস-আফরোজা

0
102

নিজস্ব প্রতিবেদক <<
সর্বোচ্চ ২৯ ভোট পেয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবদুস সবুর লিটন। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ ভোট পেয়েছেন ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওয়ার্ডের টানা পাঁচবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন এবং নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আফরোজা কালাম।
সাধারণ কাউন্সিলরদের মধ্য থেকে ৬ জন এবং সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলরদের থেকে ৫ জন প্রার্থী হয়েছিলেন প্যানেল মেয়র হওয়ার জন্য। গতকাল দুপুরে সিটি করপোরেশনের পুরনো ভবন আন্দরকিল্লায় কেবি আবদুচ ছাত্তার মিলনায়তনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্তমান পর্ষদের দ্বিতীয় সাধারণ সভায় এই প্যানেল মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিধি অনুযায়ী প্রথম সভার এক মাসের মধ্যে প্যানেল মেয়র নির্বাচন করার কথা। চকবাজারের ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু গত বৃহস্পতিবার মারা যাওয়ায় সেদিন সভা বাতিল করা হয়েছিল। সেই সভা গতকাল করা হয়েছে। সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচন শেষ হয়। প্রত্যেক কাউন্সিলর তিনটি করে ভোট দিয়েছেন। সাধারণ কাউন্সিলরদের মধ্য থেকে দুই জন ও সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলরদের মধ্য থেকে একজনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
সাধারণ কাউন্সিলরদের মধ্যে যে ৬ জন প্রার্থী হয়েছেন তাদের মধ্যে ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুস সবুর লিটন (প্রাপ্ত ভোট ২৯), ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (প্রাপ্ত ভোট ২৭), ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. হারুন উর রশীদ (প্রাপ্ত ভোট ১৬), ২০ নম্বর দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী (প্রাপ্ত ভোট ১৩), ৩২ নম্বর আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী (প্রাপ্ত ভোট ১১) এবং ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু (প্রাপ্ত ভোট ১০) ভোট পেয়েছেন।
সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলরদের মধ্যে ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে আফরোজা কালাম (প্রাপ্ত ভোট ২৬), নীলু নাগ (প্রাপ্ত ভোট ১৩), ফেরদৌস বেগম মুন্নী (প্রাপ্ত ভোট ৮), জোবাইরা নার্গিস খান (প্রাপ্ত ভোট ৩), লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী (প্রাপ্ত ভোট ৩) ভোট পেয়েছেন।
৪১ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ১৪ জন সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলরসহ মোট ভোট ছিল ৫৫ জন। কিন্তু এদের মধ্যে চকবাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোলাম সাইয়েদ হায়দার মিন্টু মারা যাওয়ায় ভোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৫৪ জন। এই ৫৪ জনের মধ্যে ৫৩ জন ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে ভোট দিয়েছেন এবং পাঠানটুলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাবেদ কোভিড আক্রান্ত হওয়ায় সিটি করপোরেশনের দুই জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ওনার বাসায় গিয়ে ভোট নিয়ে আসেন। এই ৫৪টি ভোটের মধ্যে একটি ভোট বাতিল বলে গণ্য হয়। ওই কাউন্সিলর তিনজনকে ভোট না দিয়ে দুই জনকে দিয়েছিলেন। তাই সর্বসম্মতিক্রমে ওই ভোটটি বাতিল বলে গণ্য হয়।
উল্লেখ্য, গত পর্ষদের প্যানেল মেয়র ছিলেন চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, প্রফেসর ড. নিছার উদ্দিন মঞ্জু এবং জোবাইরা নার্গিস খান। মেয়রের অনুপস্থিতিতে কিংবা ছুটিতে পর্যায়ক্রমে মেয়রের দায়িত্ব পালন করে থাকেন নির্বাচিত প্যানেল মেয়রগণ।