সুপ্রভাত ডেস্ক »
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণার শুরুর দিনে চট্টগ্রামে প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনের প্রতিটি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় প্রার্থীরা সকাল থেকে প্রচারণা শুরু করেন। জামায়াতের এক প্রার্থী প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি না মানার অভিযোগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম-১১ আসনের বিএনপি প্রার্থী, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের মানুষ ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।
খসরুর আসনে জামায়াতের প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ শফিউল আলম গণসংযোগ শুরু করেছেন। সকালে তিনি মুন্সিপাড়া থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে ছত্তার হাজি বাড়ি, ধোপাপাড়া হয়ে চান্দা পাড়া, উত্তর জেলে পাড়া ও দক্ষিণ জেলে পাড়ায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা, প্রত্যাশা ও এলাকার উন্নয়নসংক্রান্ত নানা কথা সরাসরি প্রার্থীর সামনে তুলে ধরেন।
গণসংযোগকালে শফিউল আলম বলেন, এই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার। আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনে এসেছি। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার শক্তি।
চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুন্ড নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী পারিবারিক কবরস্থান এবং নগরী ও সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন মাজার জেয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার প্রচারণা শুরু করেছেন। জেয়ারত শেষে তিনি স্থানীয় এলাকাবাসীর সাথেও কুশল বিনিময় করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ওমর বিন নুরুল আবছারের কবর জেয়ারত শেষে চট্টগ্রাম-৮ আসনে এনসিপি প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ ভোটের প্রচারণা শুরু করেন।
এদিকে প্রতিপক্ষ প্রার্থী আচরণবিধি মানছেন না বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের জামায়াত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী। তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রার্থী আচরণবীধি মানছে না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি অনুরোধ করব। রঙ্গিন পোস্টারে সয়লাব হয়ে আছে চট্টগ্রাম শহর। এবং বিভিন্ন দলের ছবি দিয়ে পোস্টার রয়েছে। যেহেতু আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে, আমি বলবো, সমস্ত ব্যানার-পোষ্টারগুলো অবিলম্বে নামিয়ে ফেলার মাধ্যমে শুধুমাত্র নির্বাচনী ব্যানারগুলো যাতে শোভা পায় সে ব্যবস্থা করে দেওয়া জন্য প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব।
তিনি আরও বলেন, মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভোট দিতে পারেনি। এবার উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হবে, হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হবে, দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হবে ইনশাআল্লাহ।
এদিকে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বিএনপি প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর প্রার্থীতা হারিয়ে মাঠে ছিলেন না। বাকি সব আসনে বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীরা ছিলেন ভোটের মাঠে সরব।
















































