সুপ্রভাত ডেস্ক »
চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায় গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় সাখাওয়াত হোসেন (৪৯) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে। বিস্ফোরণে দগ্ধ বাকি চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে জাতীয় বার্ন ও ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাখাওয়াত।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, আজ সকালের দিকে হাসপাতালের আইসিইউতে ১০০ শতাংশ দগ্ধ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাখাওয়াত হোসেন।
এর আগে সোমবার সন্ধ্যার দিকে জাতীয় বার্নে আনার সময় মারা যান নুরজাহান আক্তার রানী। মঙ্গলবার সকালের দিকে তার ছেলে শাওন (১৬), দুপুরের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সামির আহমেদ সুমন (৪০) এবং মঙ্গলবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে মারা যান আশুরা আক্তার পাখি (৩৫)। এ নিয়ে একই পরিবারের এ ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন বাকি চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাদের শরীরের বড় অংশ পুড়ে গেছে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার ভোরে চট্টগ্রামের হালিশহর এইচ ব্লকের এসি মসজিদসংলগ্ন ছয়তলা ভবন ‘হালিমা মঞ্জিল’-এর তৃতীয় তলার একটি বাসায় রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের নয়জন দগ্ধ হন।
দগ্ধরা হলেন- মো. সাখাওয়াত হোসেন, তার স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী, ছেলে শাওন, মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা, সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন, তার স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি, তাদের মেয়ে আয়েশা, ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস এবং সাখাওয়াতের আরেক ছোট ভাই শিপন হোসেন। প্রথমে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। পরে সেখান থেকে সোমবার সন্ধ্যার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।


















































