উন্নয়নে পতেঙ্গা ওয়ার্ডের গুরুত্ব বেড়ে যাচ্ছে : সুজন

0
183

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশেনের প্রশাসক আলহাজ মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, সমুদ্র সৈকত, শাহ আমানত (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নবনির্মিত মেরিন ড্রাইভ সড়ক, নির্মাণাধীন বে-টার্মিনাল, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ের কারণে পর্যটন এলাকা পতেঙ্গার গুরুত্ব বেড়ে যাচ্ছে দিন দিন। চট্টগ্রাম বন্দর, চউক, ওয়াসাসহ অনেকগুলো সংস্থার উন্নয়নকাজ একসাথে চলমান থাকার কারণে এখনই দক্ষিণ পতেঙ্গার ওয়ার্ড অফিসের নির্মাণ কাজ করা যাচ্ছে না। তবে খুব সহসাই এর নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।
প্রশাসক গতকাল দুপুরে ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের জনসাধারণের সাথে ওয়ার্ডে করপোরেশনের রেস্ট হাউসস্থ অস্থায়ী ওয়ার্ড কার্যালয়ে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ চৌধুরী ও স্থানীয় সমাজসেবক নুরুল হোসেন, ছালেহ আহম্মদ, আব্দুল কাদের, মোস্তাফা কামাল, জাইদুল ইসলাম দুর্লভ, আশরাফ খোকন, মো. আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ওয়ার্ডের বাসিন্দারা তাদের এলাকায় গ্যাস সংটে বিষয়ে প্রশাসককে অবহিত করলে তিনি এলাকার অন্যান্য সংস্থার উন্নয়ন কাজের সাথে সমন্বয় করে সংযোগপ্রাপ্তি নিশ্চিতে করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে দিয়ে কেজিডিসিএলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে তা সমাধানের ব্যবস্থা করবেন বলে তাদের আস্বস্ত করেন। এ সময় তিনি ৪১ নম্বর ওয়ার্ড অফিস ভবন নির্মাণে নকশা ও প্রাক্কলন ব্যয় সম্পন্ন হয়েছে বলে ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের অবহিত করেন। প্রশাসক বলেন, আপনারা ভাগ্যবান। আপনাদের ওয়ার্ডে প্রায় সব কাজই সম্পন্ন করছে সরকার। শুধু ওয়ার্ড অফিস ভবনটির নির্মাণ কাজ হওয়া বাকি, তাও হয়ে যাবে। তিনি এ সময় বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর সরকারের কাছে বন্দরের উন্নয়নে চেয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকা। পেল ১ হাজার কোটি টাকা। কাজেই সব সময় চাহিদামত যোগান দেয়া সম্ভব হয় না। সেই তুলনায় আপনাদের ওয়ার্ডে অপূর্ণতা তেমন থাকছে না। তিনি কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে বিয়ে-শাদি, সামাজিক অনুষ্ঠান বা জনসমাগম হয় সে ধরনের স্থান এড়িয়ে চলে জরুরি কাজে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধানে সচেতন থাকতে পরামর্শ দেন। প্রশাসক বলেন, করোনা’র কারণে আমেরিকা-ইউরোপ-ভারতের অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। সেই তুলনায় আমাদের দেশের অর্থনীতি এখনো বড় কোনো বিপর্যয়ের মুখে পড়েনি। আমরা চাই না নাগরিক অসচেতনতার কারণে স্বাস্থ্যসেবায় বড় কোনো বিপর্যয় আসুক। বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশেনের প্রশাসক আলহাজ মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, সমুদ্র সৈকত, শাহ আমানত (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নবনির্মিত মেরিন ড্রাইভ সড়ক, নির্মাণাধীন বে-টার্মিনাল, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ের কারণে পর্যটন এলাকা পতেঙ্গার গুরুত্ব বেড়ে যাচ্ছে দিন দিন। চট্টগ্রাম বন্দর, চউক, ওয়াসাসহ অনেকগুলো সংস্থার উন্নয়নকাজ একসাথে চলমান থাকার কারণে এখনই দক্ষিণ পতেঙ্গার ওয়ার্ড অফিসের নির্মাণ কাজ করা যাচ্ছে না। তবে খুব সহসাই এর নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।
প্রশাসক গতকাল দুপুরে ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের জনসাধারণের সাথে ওয়ার্ডে করপোরেশনের রেস্ট হাউসস্থ অস্থায়ী ওয়ার্ড কার্যালয়ে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছালেহ আহমদ চৌধুরী ও স্থানীয় সমাজসেবক নুরুল হোসেন, ছালেহ আহম্মদ, আব্দুল কাদের, মোস্তাফা কামাল, জাইদুল ইসলাম দুর্লভ, আশরাফ খোকন, মো. আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ওয়ার্ডের বাসিন্দারা তাদের এলাকায় গ্যাস সংটে বিষয়ে প্রশাসককে অবহিত করলে তিনি এলাকার অন্যান্য সংস্থার উন্নয়ন কাজের সাথে সমন্বয় করে সংযোগপ্রাপ্তি নিশ্চিতে করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে দিয়ে কেজিডিসিএলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে তা সমাধানের ব্যবস্থা করবেন বলে তাদের আস্বস্ত করেন। এ সময় তিনি ৪১ নম্বর ওয়ার্ড অফিস ভবন নির্মাণে নকশা ও প্রাক্কলন ব্যয় সম্পন্ন হয়েছে বলে ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের অবহিত করেন। প্রশাসক বলেন, আপনারা ভাগ্যবান। আপনাদের ওয়ার্ডে প্রায় সব কাজই সম্পন্ন করছে সরকার। শুধু ওয়ার্ড অফিস ভবনটির নির্মাণ কাজ হওয়া বাকি, তাও হয়ে যাবে। তিনি এ সময় বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর সরকারের কাছে বন্দরের উন্নয়নে চেয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকা। পেল ১ হাজার কোটি টাকা। কাজেই সব সময় চাহিদামত যোগান দেয়া সম্ভব হয় না। সেই তুলনায় আপনাদের ওয়ার্ডে অপূর্ণতা তেমন থাকছে না। তিনি কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়ে বিয়ে-শাদি, সামাজিক অনুষ্ঠান বা জনসমাগম হয় সে ধরনের স্থান এড়িয়ে চলে জরুরি কাজে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধানে সচেতন থাকতে পরামর্শ দেন। প্রশাসক বলেন, করোনা’র কারণে আমেরিকা-ইউরোপ-ভারতের অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। সেই তুলনায় আমাদের দেশের অর্থনীতি এখনো বড় কোনো বিপর্যয়ের মুখে পড়েনি। আমরা চাই না নাগরিক অসচেতনতার কারণে স্বাস্থ্যসেবায় বড় কোনো বিপর্যয় আসুক। বিজ্ঞপ্তি