ঈদ উৎসব মানবিকতা ও সহনশীলতার শিক্ষা দেয়: চবি উপাচার্য

চবি প্রতিনিধি »

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেছেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনে সংযম, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনন্য বার্তা নিয়ে আসে, যা একটি ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, “দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনে আত্মশুদ্ধি, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়। এই উৎসব পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে অনুপ্রাণিত করে।” তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার হিসেবে দায়িত্ব শুধু জ্ঞানচর্চায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানবিকতা, নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার চর্চার মাধ্যমে একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে এসব মূল্যবোধ আরও দৃঢ়ভাবে ধারণ করার আহ্বান জানান তিনি।
উপাচার্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে বলেন, “তিনি যেন আমাদের ইবাদত কবুল করেন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যান।”

এসময় বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন। নামাজের আগে আলোচনা পেশ করেন আরবি বিভাগের প্রফেসর ড. আ.ক.ম আবদুল কাদের এবং সভাপতিত্ব করেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

পরে চবি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ আবু দাউদ মুহাম্মদ মামুন-এর ইমামতিতে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।

নামাজ শেষে উপাচার্য সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভিসি বাংলোতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে চাকসু কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত ভোজের আয়োজন করা হয়, যা পরিদর্শন করেন উপাচার্য