এমপি মোস্তাফিজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণাসহ বহিষ্কার দাবি

0
351
বিক্ষুব্ধরা ক্ষোভ ঝাড়ছে

প্রেসক্লাব চত্বরে প্রতিবাদ সভা
বাঁশখালীর এমপি মোস্তাাফিজুর রহমানকে চট্টগ্রামে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে অবিলম্বে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা। একই সাথে এমপি মোস্তাফিজের নির্দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে তার কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। গত ২৪ আগস্ট চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন সমাবেশে এমপি মোস্তাফিজের সন্ত্রাসীবাহিনী কর্তৃক বীর মুুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও মুুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জামালখান প্রেসক্লাব চত্বরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তানকমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা কমিটি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ বক্তারা এ দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার প্রথম প্রতিবাদকারী মৌলভী সৈয়দের বড়ভাই ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আলী আশরাফকে মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মাননা না জানানো, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে মোস্তাফিজুর রহমানের কটূক্তি মেনে নেয়া যায় না। এমপি মোস্তাফিজ আওয়ামী রাজনীতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নন বলেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, তাদের সন্তান ও সাংবাদিকদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছেন। জামাত-শিবির ও রাজাকার আল বদরদের সাথে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। প্রেসক্লাব চত্বরে সংঘটিত হামলার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে এমপি মোস্তাফিজকে ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণসহ অবিলম্বে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল ও আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর দাবি জানান বক্তারা।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তানকমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহবায়ক সাহেদ মুরাদ সাকুর সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তানকমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. সরওয়ার আলম চৌধুরী মনির পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ-চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিট কমান্ডার মোজাফফর আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগরীর ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল হক চৌধুরী সৈয়দ, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের অন্যতম সাক্ষী শিরু বাঙালি, কাজী নুরুল আবছার, সহকারী কমান্ডার সাধনচন্দ্র বিশ্বাস, খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), জেলা ইউনিটের সহকারী কমান্ডার আবদুর রাজ্জাক, সংসদের সাতকানিয়া থানা কমান্ডার আবু তাহের, লোহাগড়া কমান্ডার আক্তার হোসেন হিরু, পটিয়া কমান্ডার মহিউদ্দিন, বাঁশখালীর সাবেক কমান্ডার মো. সরওয়ার হোসাইন চৌধুরী, হযরত আমানত শাহ (র.) মাজার কমপ্লেক্সের শাহজাদা ফয়জুল কদির বাবুল, আওয়ামী যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ ফরিদ মাহমুদ, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী, কোতোয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক রাসেল, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি, ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শওকত বাঙালী, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মো. জয়নাল আবেদীন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বেসরকারি কারাপরিদর্শক আজিজুর রহমান, সিউজে’র সদস্য সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শরফুূদীন চৌধুরী রাজু, ইঞ্জিনিয়ার মশিউজ্জামান সিদ্দিকী পাভেল, মিজানুর রহমান সজিব, মো সাজ্জাদ হোসেন, কাজী মুহাম্মাদ রাজিশ ইমরান, কামরুল হুদা পাভেল, হাসান মো. আবদুল হান্নান, আশরাফুল হক চৌধুরী রিপন, বিবি গুলজান্নাত, জয়নাল আবেদিন, জুনাইন আবেদিন, শেখ ফরিদ মিঠু, আরাফাতুল মান্নান ঝিনুক, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা আবুল মনসুর টিটু, ফয়সাল জামিল সাকী, জয়নুদ্দিন জয়, জাফর আহমেদ, আরমান আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, মো হাফিজ, মো. দুলাল, আহাদ সিকদার, ইসমাইল রুবেল, নঈম উদ্দিন, মোশাররফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শাহাবউদ্দিন ফাহিম, আশরাফ ইনু, মিশু সিকদার, কায়সার চৌধুরী, মো. মহিউদ্দিন, মুক্তিযুদ্ধমঞ্চ চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি সালমান চৌধুরী দীপ্ত, মো. ইসা, নাসির খান, সৈকত আহমেদ, ফরহাদ আহমেদ, ফরিদ উদ্দিন, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি আসিফ আলভী, ছাত্রনেতা মাইমুদ্দীন মামন, এসইউ সোহেল, দেলোয়ার হোসেন, মঞ্জু সরোয়ার, বাবলু জালালাবাদী, নুর আলম, আল মামুন, সাইকা দোস্ত, আফজাল খান, ফরহাদ চৌধুরী, মনির হোসেন, মো. মানিক, জামাল আহমেদ, মো. শিবলী, মো. তারেক, মো. বিদুৎ, সবুজ আহমেদ প্রমুখ।
কর্মসূচি : বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। বিজ্ঞপ্তি