সুপ্রভাত ডেস্ক>> নীতিমালার বাইরে দেওয়া বাড়তি দুই উৎসাহ বোনাসের ১১৬ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল দেড় বছর আগে। কিন্তু এখনো সেই টাকা ফেরত দেননি সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। নতুন করে গত ১১ সেপ্টেম্বর ওই অর্থ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ বাড়তি দুই বোনাসের অর্থ ফেরত নিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। তবে সেই নির্দেশও বাস্তবায়ন হয়নি।
সোনালী ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২১ হাজার ৫০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী বাড়তি দুই বোনাস পেয়েছেন। প্রতিটি বোনাস এক মাসের মূল বেতনের সমান।
২০২৪ সালের ৭ আগস্ট পাঁচ বোনাসের দাবিতে ব্যাংকটির একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী তৎকালীন এমডি ও সিইও আফজাল করিমকে অবরুদ্ধ করেন। পরে আন্দোলনের মধ্যে ২০ আগস্ট পদত্যাগ করেন তৎকালীন চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী। ২০২৩ সালের পারফরম্যান্সের জন্য ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাঁচটি উৎসাহ বোনাস অনুমোদন করেছিল তাঁর নেতৃত্বাধীন পর্ষদ। নীতিমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিনটি বোনাস দেওয়ার সুযোগ ছিল।
সোনালী ব্যাংকের এমডি ও সিইও শওকত আলী খান বলেন, পাঁচ বোনাস দেওয়ার সিদ্ধান্তটি তিনি ব্যাংকে যোগ দেওয়ার আগেই নেওয়া হয়েছিল। টাকা পরিশোধ হয়ে যাওয়ায় তা ফেরত না নিয়ে সরকারকে বিষয়টি মেনে নেওয়ার অনুরোধ করেছেন তাঁরা।

