নিজস্ব প্রতিবেদক »
চট্টগ্রাম বন্দরে কনসাইনি বিল পরিশোধে পে-অর্ডার গ্রহণ বন্ধ হচ্ছে। এখন থেকে বন্দরের ট্যারিফ অনুযায়ী যাবতীয় কনসাইনি বিল ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এরআগে গতকাল মঙ্গলবার বন্দর কর্তৃপক্ষের জারি করা এক অফিস আদেশে বলা হয়, চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা থেকে কনসাইনি বিলের বিপরীতে কোনো পে-অর্ডার গ্রহণ করা হবে না। নতুন ব্যবস্থায় কনসাইনি বিল পরিশোধ করা যাবে রিয়েল-টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস), ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি), বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন), বিইএফটিএন অটোপুল, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যাংকিং, ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং কার্ড পেমেন্টের মাধ্যমে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম বলেন, বন্দরের বিল পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও সহজ করতে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময় থেকে পে-অর্ডারের পরিবর্তে সংশ্লিষ্টদের ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করতে হবে।
এতে রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়ায় সময় কমার পাশাপাশি লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষের অফিস আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সব বিভাগীয় প্রধান, সিস্টেমস অ্যানালিস্ট, টার্মিনাল ম্যানেজার ও ট্রাফিক কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
একই সঙ্গে এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ কনটেইনার শিপিং অ্যাসোসিয়েশন এবং চট্টগ্রাম ও ঢাকা মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের সাম্প্রতিক এক সার্কুলারে চট্টগ্রাম বন্দরের ভ্যাসেল বিল, কনটেইনার বিল ও কনসাইনি বিলসহ বিভিন্ন পরিচালন ব্যয় রিয়েল-টাইম গ্রস সেটেলমেন্টের (আরটিজিএস) মাধ্যমে তাৎক্ষণিক পরিশোধের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পে-অর্ডার ও চেকনির্ভর লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পেমেন্ট চালু হলে অর্থ পরিশোধ ও যাচাইয়ের প্রক্রিয়া দ্রুত হবে। এতে বন্দরের রাজস্ব আদায়ে দীর্ঘসূত্রতা কমার পাশাপাশি লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়তে পারে।

