পেকুয়া প্রতিনিধি >>
পেকুয়া কবির আহমদ চৌধুরী বাজার ও পেকুয়া চৌমুহনী স্টেশনে যানজট নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ, পরিবেশ দূষণ রোধ এবং দীর্ঘদিনের পুরোনো খেলার মাঠ দখলমুক্ত করে খেলাধুলার উপযোগী করার দাবিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুল ইসলামের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুট।
জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের দাবিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত আবেদনও করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে পেকুয়ার কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুল ইসলামের কাছে এসব দাবি সংবলিত লিখিত আবেদন জমা দেন কামরান জাদিদ মুকুট।
লিখিত আবেদনে পেকুয়া বাজার ও চৌমুহনীর প্রধান সড়কের দুই পাশে থাকা ভাসমান দোকান ও হকারদের নিয়ন্ত্রণ করে পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচলের ব্যবস্থা, যানজট নিরসন, বাজারের বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট জায়গায় ডাস্টবিন স্থাপন এবং ময়লা-আবর্জনা অপসারণে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি পেকুয়া বাজারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবিও জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া পেকুয়া ভূমি অফিস সংলগ্ন দীর্ঘদিনের পুরোনো খেলার মাঠটি দখলমুক্ত করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও এলাকার যুবকদের খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করার দাবি জানানো হয়।
কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, যানজট ও ফুটপাত দখলের কারণে দীর্ঘদিন ধরে পেকুয়াসহ পাশের কুতুবদিয়া উপজেলার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে পেকুয়া বাজার ও চৌমুহনীতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষকে নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। গত তিন মাস ধরে যুবদলের নেতাকর্মীরা বাজারের যানজট নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, কবির মিয়ার মাঠটিতে একসময় নিয়মিত খেলাধুলা হতো। বর্তমানে বিভিন্ন দখলদার জায়গাটি দখল করে রাখায় এবং অবশিষ্ট খালি জায়গাতেও ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকায় খেলাধুলার পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। মাঠটি দখলমুক্ত করে খেলাধুলার উপযোগী করা জরুরি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুল ইসলাম বলেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদিদ মুকুটের পক্ষ থেকে জনগুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দাবি উল্লেখ করে একটি লিখিত আবেদন পাওয়া গেছে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডাস্টবিন স্থাপনের জন্য একটি জায়গা চিহ্নিত করে অস্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপনের বিষয়ে তহসিলদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, যানজট নিরসন ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। খেলার মাঠের বিষয়ে জায়গাটির ফাইল বের করার জন্য তহসিলদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি জায়গা কেউ দখল করে থাকলে আইনগত সিদ্ধান্ত নিয়ে তা উচ্ছেদের ব্যবস্থা করা হবে।

