নিজস্ব প্রতিবেদক>> ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোতে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।
রোববার দুপুরে নগরীর সাগরিকা মোড় সংলগ্ন কাজীর দীঘি এলাকায় চসিকের মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিদর্শন করে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে চসিকের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও হটস্পট এলাকাগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।”
মেয়র বলেন, চলতি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুধু সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় মন্তব্য করে তিনি নগরবাসীর সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন।
শাহাদাত বলেন, এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচের ট্রে, নির্মাণাধীন ভবন ও পরিত্যক্ত পাত্রে পানি জমতে দেওয়া যাবে না।
“তিন দিনে একদিন, জমা পানি ফেলে দিন—এই অভ্যাস নগরবাসীকে গড়ে তুলতে হবে। নিজের আঙিনা পরিষ্কার রাখুন, অন্যকেও সচেতন করুন,” বলেন তিনি।
এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায় উল্লেখ করে মেয়র দিনের পাশাপাশি ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহারেরও পরামর্শ দেন।
চসিকের ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় কাজীর দীঘি ও আশপাশের এলাকায় মশক নিধন, লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ প্রয়োগ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হয়। পাশাপাশি সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতন করা হয়।
নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান মেয়র।

