নিজস্ব প্রতিবেদক »
ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতা ও হেলথ ক্যাম্প আয়োজন করবে চট্টগ্রামের লায়ন্স ক্লাবসমূহ। অক্টোবরকে সেবা মাস উপলক্ষে আরও বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫-বি৪ বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর জাকির হোসেন রোড এলাকায় লায়ন্স ফাউন্ডেশনের হালিমা রোকেয়া মেমোরিয়াল হলে সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা করা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন লায়ন্স ক্লাব চট্টগ্রাম জেলার গভর্নর লায়ন মোঃ কামরুজ্জামান লিটন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সদ্য প্রাক্তন জেলা গভর্নর লায়ন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ অপু, প্রথম ভাইস গভর্নর লায়ন পারভীন মাহমুদ, প্রাক্তন জেলা গভর্নর লায়ন সামশুদ্দিন সিদ্দিকী, রিজিয়ন চেয়ারপার্সন লায়ন এম.এইচ. শাহ বেলাল, অশোক কুমার নাথ সহ অন্যরা।
১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সেবা কর্মসূচীতে থাকছে পুরো মাস জুড়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন মাদ্রাসা ও মসজিদে দান কার্যক্রম, ডেঙ্গু ও হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম ও মশারি বিতরণ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বের ২১০ টি দেশে ৫০ হাজার ৪৯৮ টি ক্লাবের মাধ্যমে প্রায় ১৪ লক্ষ লায়ন সদস্য দিন রাত সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখছেন৷ বর্তমান বাংলাদেশে মাল্টিপল জেলা ৩১৫ এর ৭টি লায়ন্স জেলার ৮০৬টি লায়ন্স ক্লাবের মাধ্যমে ২২ হাজার ৪৫৯জন লায়ন সদস্য সেবামূলক কর্মকান্ডে যুক্ত আছেন।
২০২৬-২০২৭ সেবা বর্ষকে অঙ্গীকার ঘোষণা দিয়ে বক্তারা আরো বলেন, এই অঙ্গীকার হচ্ছে লায়নিজমে ‘নেতৃত্বের প্রতি অঙ্গীকার’ যা নৈতিক জবাবদিহিতামূলক ও উদাহরণ সৃষ্টিকারী নেতৃত্বের বিকাশ। ‘সেবার প্রতি অঙ্গীকার’ যা আদর্শকে প্রয়োজনভিত্তিক, টেকসই ও প্রভাব সৃষ্টিকারী সেবায় রুপ দেয়া এবং ‘সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের প্রতি অঙ্গীকার’ যা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা, ঐক্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে শক্তিশালী লায়নস্টিক বন্ধন গড়ে তোলা।
চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন ভবনকে ঘিরে একটি ১৫ বছর মেয়াদী মাস্টারপ্ল্যান তৈরির প্রক্রিয়া চলছে উল্লেখ করে বক্তারা আরো বলেন, এ প্রকল্পটি হয়তো দীর্ঘমেয়াদী, কিন্তু সিএলএফ-এ যে অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা রয়েছে তাকে ঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে, আরো বেশি মানুষকে স্বাস্থ্যসেবার আওতায় নিয়ে আসতে হলে প্রয়োজন সুচিন্তিত পরিকল্পনা। এ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করা গেলে এটিই হবে দেশের সর্ববৃহৎ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সকল আঙ্গিকে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

