নিজস্ব প্রতিনিধি, রামগড়>> খাগড়াছড়ির গুইমারায় গত বছরের সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে দোকানঘর, হুইলচেয়ার ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। দেওয়া হয়েছে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধও।
বুধবার গুইমারা সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এসব সহায়তা দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের পুরস্কৃত করা হয়।
সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া এলাকায় সোলার ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, পাহাড়ের সব জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা না গেলে এ অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়।
পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, সিন্দুকছড়ি জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী নেহাত ফয়সল, লক্ষ্মীছড়ি জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খান সজিবুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোরতোজা আলী খানসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের এ সময়ে গুইমারার রামসু বাজারে সংঘটিত সহিংসতায় তিনজন পাহাড়ি নিহত হন। এ ঘটনায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। কয়েকটি বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

