চমেক হাসপাতাল  জীবাণুমুক্ত করছে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি

0
192
চমেক হাসপাতালে রোগী আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হুইল চেয়ার জীবাণুমুক্ত করছেন রেডক্রিসেন্টের কর্মীরা-সুপ্রভাত

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে ব্যবহৃত ট্রলি ও হুইল চেয়ারসহ সেবা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের জীবাণুমুক্ত রাখতে জীবাণুনাশক স্প্রে শুরু করেছেন বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি।
রোববার (৫ জুলাই) বেলা ১২টায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। সরেজমিন দেখা যায়, জরুরি বিভাগের সামনে সুরক্ষাসামগ্রী পরিহিত তিনজন রেডক্রিসেন্ট কর্মী দাঁড়ানো। সকলের কাঁধে ঝুলছে স্প্রে মেশিন। রোগী তুলতে জরুরি বিভাগ থেকে বের হওয়া এবং ওয়ার্ড থেকে ফেরত আসা প্রতিটি ট্রলি ও হুইল চেয়ারে জীবাণুমুক্ত রাখতে ব্যস্ত তারা। পাশাপাশি দেওয়া হচ্ছে রোগী ও স্বজনদেরও।
এ কাজে দায়িত্বরত রেডক্রিসেন্ট রক্ত বিভাগের প্রধান ইস্তাকুল ইসলাম সুপ্রভাতকে বলেন, ‘গত দু’দিন আগে থেকে হাসপাতালে জীবাণুনাশক ছিটানোর এই কার্যক্রম শুরু করেছি। জীবাণুনাশক হিসেবে প্রতিদিন ২৫ লিটার ক্লোরিন সলিউশন ছিটানো হচ্ছে। চমেক হাসপাতাল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে প্রতিদিন কোভিড ও নন কোভিড সব ধরনের রোগী আসছে। একই ট্রলি ও হুইল চেয়ারে সব ধরনের রোগীদের আনা-নেওয়া করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে প্রতিবার এসব ট্রলি ও হুইল চেয়ারকে জীবাণুমুক্ত করা প্রয়োজন। না হয় ননকোভিড রোগীরাও আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা থাকছে। বিষয়টি অনুবাধন করে এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় খবরে জানতে পেরে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্টে সোসাইটির পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রম জীবাণুনাশক স্টক থাকা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
এছাড়া এখানে টিকিট নিতে আসা রোগীদের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত হচ্ছে না। সাদা রংয়ের গোলচিহ্নগুলো মুছে গেছে। তাই এগুলো আবার রং দিয়ে নতুনভাবে আঁকার ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। যাতে লাইনে দাঁড়ানো সকলের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা যায়।’ শীঘ্রই কাজটি করা হবে বলে জানান তিনি।
দায়িত্বপালনকারী রেডক্রিসেন্ট কর্মী রকিব ও সুজিত বলেন, ‘প্রতিদিন আমরা ৩-৪ জন করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে জীবাণুনাশক ছিটানোর কাজে দায়িত্ব পালন করছি। সকাল ৯টা থেকে জীবাণুনাশক শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকে।’