সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন সালমান

0
96

সুপ্রভাত ডেস্ক :
সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকেই সালমান খানকে নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য ধেয়ে এসেছে ইন্ডাস্ট্রির অন্দর থেকে। এমনকী, নেটিজেনদের হাত থেকেও রক্ষা পাননি সালমান। অভিনেতাকে বয়কটের ডাকও উঠেছে। এমনকী, মামলা দায়ের হওয়ার পরও কোনওরকম মন্তব্য করেননি এই প্রসঙ্গে। সালমানের মৌনতাকেই অনেকে সম্মতির লক্ষণ বলে ধরে নিয়েছিলেন। তাহলে সত্যিই কি সুশান্তের প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও তিনি শুধুমাত্র স্টার-কিড নন বলে সালমান তাকে কোণঠাসা করেছিলেন কিংবা নিষিদ্ধ করে দিয়েছিলেন নিজের প্রযোজনা সংস্থা-সহ বলিউডের অন্যান্য ব্যানার থেকেও? উঠছে প্রশ্ন! এবার কিন্তু আর চুপ করে থাকতে পারলেন না সালমান।
অনেক জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে মুখ খুললেন বলিউডের ‘ভাইজান’। টুইটে লেখেন, ‘আমার সমস্ত অনুরাগীদের কাছে অনুরোধ, সুশান্তের ভক্তদের পাশে দাঁড়ান। কোনওরকম অভিশাপ নয়, ওদের সঙ্গে কোনওরকম খারাপ ভাষাও ব্যবহার করবেন না। দয়া করে, ওদের আবেগটা বোঝার চেষ্টা করুন। ওর পরিবার এবং অনুরাগীদের পাশে দাঁড়ান। কারণ তারা তাদের ভালোবাসার ও কাছের মানুষকে হারিয়েছেন। যা সত্যিই ভীষণ বেদনাদায়ক।’
সাধারণত, সালমানকে চটাতে চান না কেউই। ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই জানেন যে তিনি কতটা বদমেজাজি কিংবা রাগী! কিন্তু এবার কোনওরকম বিস্ফোরক মন্তব্য না করে বরং সুশান্তের অনুরাগীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। কিন্তু নেটিজেনদের একাংশ আবার সালমানের এই মন্তব্যের পর আরও রেগে গিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ১৪ জুন, সুশান্তের প্রয়াণের পর সালমান যখন টুইটে শোকবার্তা দিয়েছিলেন। সেই টুইটকে ঘিরেই ঝামেলার সূত্রপাত। ‘লোক দেখানো শোকপ্রকাশ’ বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। এমনকি, অভিনেতাকে তিলে তিলে অবসাদের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্যও নেটিজেনদের একাংশ সালমানকেই দায়ী করেছেন।
উল্লেখ্য, সুশান্ত সিং রাজপুতকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে দিন কয়েক আগেই। পাটনায় বিইং হিউম্যান স্টোর থেকে বান্দ্রার বিলাসবহুল আবাসনের সামনেও পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিলেন সুশান্ত অনুরাগীরা। বলিউডে স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে সালমান খানের বিরুদ্ধে। এমনকী ‘দাবাং’ পরিচালক অভিনব কাশ্যপ বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন পুরো ‘খান’ পরিবারের বিরুদ্ধে। সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকে এত ঘটনা সত্ত্বেও চুপ থেকেছেন সালমান খান। তবে এবার মুখ খুললেন বলিউডের ‘ভাইজান’।
খবর : সংবাদপ্রতিদিন’র।