চট্টগ্রামে এসএসসি’র ফল চ্যালেঞ্জ করলো ২০ হাজার ৫৫০ শিক্ষার্থী

0
77

খাতা দেখতে হবে ৫২ হাজার ২৪৬টি, সবচেয়ে বেশি আবেদন ইংরেজিতে ৬,৭৩৯টি #

নিজস্ব প্রতিবেদক :
এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার বেশি থাকার পরও গত বছরের চেয়ে এবার বেশি পরীক্ষার্থী পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে। গত বছর ১৯ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করলে এবার আবেদন করেছে ২০ হাজার ৫৫০ জন। আর এতে ৫২ হাজার ২৪৬টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করতে হবে। এবার গণিতে পাশের হার বেশি থাকায় গণিতের পরিবর্তে ইংরেজিতে আবেদন বেশি পড়েছে।
৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর ১ জুন থেকে ৭ জুনের মধ্যে টেলিটক অপারেটরের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করে ২০ হাজার ৫৫০ শিক্ষার্থী। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫২ হাজারর ২৪৬টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করতে হবে। প্রতিবছর গণিতে আবেদন বেশি পড়লেও এবার বেশি আবেদন পড়েছে ইংরেজিতে ৬ হাজার ৭৩৯টি। এদের ফলাফল প্রকাশিত হবে ৩০ জুন।
পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ন চন্দ্র নাথ বলেন, এবার ইংরেজিতে তুলনামূলকভাবে পাশের হার কম হয়েছে। এতে স্বাভাবিক কারণে পুন”নিরীক্ষণের আবেদন বেশি। তবে গণিত ও বাংলায়ও অনেক আবেদন জমা পড়েছে।
পরীক্ষা শাখা সূত্রে জানা যায়, আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাংলায় ৩ হাজার ২২৮, ইংরেজিতে ৬ হাজার ৭৩৯, সাধারণ গণিতে ৪ হাজার ৭২৮, ভূগোলে ৭৫১, ইসলাম ধর্মে ২ হাজার ৪০, হিন্দু ধর্মে ৪৯৯, বৌদ্ধ ধর্মে ১৫৩, খৃস্টান ধর্মে ৫, উচ্চতর গণিতে ১ হাজার ৩৬৬, বিজ্ঞানে এক হাজার ৫৮৫, কৃষি শিক্ষায় এক হাজার ২৮৪, পদার্থে ২ হাজার ৭৬৫, রসায়নে ৪ হাজার ৩৩০, জীববিজ্ঞানে ৩ হাজার ৫১৬, পৌরনীতিতে ১৮৩, অর্থনীতিতে ৫০, ব্যবসায় উদ্যোগে এক হাজার ১৬৯, হিসাব বিজ্ঞানে ১ হাজার ২৮৭, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে ৩ হাজার ৮৪, গার্হস্থ্য অর্থনীতিতে ১৮৬, ফিন্যন্স ও ব্যাংকিংয়ে এক হাজার ৫৯, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতায় ২৮৫ এবং তথ্য প্রযুক্তিতে ১ হাজার ৯৮৪ জন পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে।
বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, পুনঃনিরীক্ষণে উত্তরপত্র কখনো পুনঃমূল্যায়ন করা হয় না। শুধুমাত্র খাতায় নম্বর গণনায়, নম্বর পোস্টিংয়ে, বৃত্ত ভরাটে কিংবা কোনো প্রশ্নের উত্তর অমূল্যায়িত থাকলে তা মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, গত ৩১ মে প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পাশের হার ছিল ৮৪ দশমিক ৭৫। যা বোর্ডের ইতিহাসে গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভালো ফলাফল। পাশের হারের সাথে সাথে জিপিএ-৫ও বেড়েছে, ৯০০৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে এবার।