পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীর সমাগমে নিষেধাজ্ঞা

0
108

নিজস্ব প্রতিবেদক :
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধের লক্ষ্যে নগরের পতেঙ্গা সি-বিচ, পারকি বিচ, ফয়’স লেকসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের সমাগমে আবারও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নগর পুলিশ। এর আগেও এ সংক্রান্তে একই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সিএমপি। সেটি এখনও বহাল আছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সিএমপির জনসংযোগ শাখা।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কোন দর্শনার্থী যেন নগরের কোন পর্যটন কেন্দ্রে সমাগম না করেন সেজন্য নগরবাসীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা কেউ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।
চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রতিদিন গাণিতিক হারে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মন্তব্য করে সিএমপির জনসংযোগ শাখা জানায়, ২০ এপ্রিল পর্যন্ত নগরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল যেখানে ২৫ জন। এক মাসের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়ে তা হাজার অতিক্রম করেছে। ভয়ানকভাবে নগরবাসীকে করোনাভাইরাস আক্রান্ত করছে। রাজধানী ঢাকার পর চট্টগ্রাম মহানগরী এখন করোনা ভাইরাসের হটস্পটে পরিণত হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে শত চেষ্টার পরেও থামানো যাচ্ছে না করোনাভাইরাসের গতি। মহানগরীতে আক্রান্তের হার যেমন বাড়ছে, মৃত্যুর হারও বাড়ছে।
সিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুবর রহমান বলেন, ‘সচেতনতা এবং জীবনের প্রতি ভালোবাসাই একমাত্র পথ যার মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের এ গতিকে টেনে ধরা সম্ভব।’
সিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ‘প্রিয় নগরবাসী, আমরা পারিবারিক, সামাজিক এবং জাতীয় জীবনে অনেক ঈদ, উৎসব, আনন্দ পার করেছি এবং উপভোগ করেছি। ভবিষ্যতেও ইনশাল্লাহ করবো। কিন্তু করোনা মহামারিকালে আমাদের মাঝে এবার ঈদুল ফিতর এসেছে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে। তাই নিজের স্বার্থে, নিজের আপনজনদের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের বৃহৎ স্বার্থে এ ঈদে আমরা যেন কোনোভাবেই সামাজিক দূরত্ব বিধি লংঘন না করি, আমরা যেন কোনোভাবেই নিজেরা নিজেদের বিপদ ডেকে না আনি।’
ঈদে কোলাকুলি, করমর্দন, জনসমাগম ইত্যাদি পরিহার করে আপনজনদের স্বার্থেই আপনজনদের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য অনুরোধ জানান পুলিশ কমিশনার। নগরবাসীর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ৭ হাজার পুলিশ সদস্য সর্বক্ষণ নগরবাসীর পাশে আছে বলে জানান পুলিশ কমিশনার।