মা

0
469

রুমানা নাওয়ার

ছোট্ট নূর বাসায় একা একা থাক।ে তারচয়েে বয়সে বছর তনিকের বড়ো ইকরা তখন স্কুল।ে সকাল সাতটা থকেে বলো এগারোটা র্পযন্ত। ইকরা স্কুল থকেে ফরিে দরোজায় বলে চাপলইে নূর খুশতিে লাফায়। বলে টা যে তার বোনরে সে বুঝতে পার।ে দরোজাটা নজিে খোলার জন্য তড়পায় নূর। ইকরা ও স্কুল ব্যাগ কাঁধে ভাই কে কোলে তুলে নয়ে। তারপর টফিনিরে খাবার থকেে চকোলটে ককে চুইংগাম জুস এটা সটো বাঁচয়িে এনে ভাইকে দয়ে। এসব পয়েে রাজ্যরে খুশি নূররে চোখ।ে হাততালি দয়ে জোরে জোর।ে বোনটা আদররে পর আদরে ভাসয়িে তোলে ভাইক।ে ইকরাও খুশতিে ডগমগ। নূররে এসব আদর আবদার।ে
মা বাবার অফসি থাকাকালীন সময়ে দু’ভাই বোন গমেস এ সময় কাটায় বশেরিভাগ। নজিরো নজিরো ও কত খলো খলে।ে কছিুক্ষণ ডলস হাউজ নয়িে কছিুক্ষণ ব্যাট বল আবার খানকি সময় ব্যাডমন্টিন আরো কতো ক।ি মা কে ছাড়া এভাবইে কাটে তাদরে সময়। রহমিা খালা এসে বাঁধা কাজগুলো করে চলে যায় তার মতো। ঘর মোছা ঝাঁট দওেয়া কাপড় চোপড় ধোয়া বাসি হাঁড়ি পাতলি পরষ্কিার ইত্যাদি কাজ। নূর আর ইকরা ওদরে মতো ওরা। রহমিা খালার সাতে পাঁচে ওরা থাকনো। বড্ড মশগুল তখন ওরা ওদরে ভুবন।ে নূরটা আবার বল নয়িে খলেতে চায় বশে।ি ছলেে বলে হয়তো। আবার দখেি পুতুলওে আসক্ত।ি ইকরা পুতুল নয়িে বসলওে দখেি খলেতে আগ্রহী হয়ে উঠ।ে বোনরে সাথে সাথে কোনটাকে আদর করে আবার কোনটাকে চোখ রাঙয়িে শাসন। মা বাবা দু’জনে নয়িমতি ফোনে জনেে নয়ে ছলেমেয়েরে খবরাখবর। খলেো কনিা কি করে এসব। চাকুরে সব মায়রেই এ অবস্থা মনে হয় আয়শোর।
নূররে জন্ম সময়টায় কি কষ্টে না কটেছেে আয়শোর। ছোট্ট পুতুল বাবুটা সারারাত জগেে থাকে আর কাঁদ।ে কোলে নয়িে হাঁটতে হতো পালা কর।ে আয়শোর ঘুমহীন কাটতো পুরো রাত। রাত জাগতে জাগতে তার শারীরকি কন্ডশিন এত খারাপরে দকিে গয়িছেলি ডাক্তার বললো দনিইে ঘুমাত।ে কন্তিু তাও কি সম্ভব। তার কলজিার টুকরোটা জগেে থাকলে ঘুম কি আসে চোখ?ে
মা বাবা দু’জনইে অফসি চলে যায় সকাল হলইে। ইকরা কে সকাল ছয়টায় ঘুম থকেে উঠয়িে আয়শা স্কুলরে জন্য তরৈি কর।ে শীতকালে ময়েটোর ঘুম থকেে উঠতে ভীষণ কষ্ট হয়। ডাকলইে বলে – মা আর একমনিটি প্লজি।
আয়শার তখন তার পরটিার জন্য খুব মায়া হয়। দু এক মনিটি ক্ষান্ত দয়িে আবার ডাকে — উঠো নূরী। গাড়ি এসে পড়লো বল।ে
এটা বললইে হুড়মুড় করে উঠে পড়ে ময়েটো। চোখ কচলাতে কচলাতে ওয়াশরুম তারপর ব্রাশ ড্রসেআপ সকালরে নাস্তা। এসব করতে করতে প্রায় ত্রশি চল্লশি মনিটি সময় ব্যয় হয়। নজিরে হাতে মোজাজোড়াও পরতে পারে না ইকরা। সব মার হাতইে করা চাই। বাবাকে দয়িওে হয়না। মা করলে সব ঠকিঠাক মতো হয়। ইকরার পছন্দমতো মা ই করতে পারে সব। চুলে ঝুঁটি বাঁধা ওর মনোমতো না হলওে বপিত্ত।ি বারবার বাঁধতে খুলতে হয়। আয়শাও অভ্যস্ত হয়ে গছেে ময়েরে এসব আবদার অভযিোগ।ে নূর আর ইকরার সব কাজর্কম নজিরে হাতইে করতে পছন্দ করে আয়শো। পারতপক্ষে কারো সাহায্য সহযোগতিা নয়েনা এদরে ব্যাপার।ে শুধু অফসিে থাকলে সম্ভব হয়না ছলেমেয়েরে দখেভালরে। তার অর্বতমানে নজিরে বোনটাই ভরসা। বুক দয়িে আগলয়িে রাখে নূরক।ে ইকরা একটু বুঝতে শখিছে।ে নজিে নজিে খাওয়া গোসল করা ভাইকে সামলয়িে রাখা – মা না থাকলে করতে শখিছেে এক আধটু। ডাইনংি টবেলিে ছলেমেয়েে র জন্য সব খাবারদাবার হট বক্সে ভরে রাখে আয়শো। মা না থাকলে যা হয় কখনো খায় কখনো বক্স র্ভতি পড়ে থাকে সব খাবার। তখন দুঃখ লাগে ভারী। ছলেমেয়েে র অযতœ হচ্ছে ভবেে নজিকেে অপরাধী মনে হয়। কান্নাকাটওি করে মাঝমেধ্য।ে আর আয়শো ঘরে ঢুকলইে দুটোতে কি কলবলানো। নূর কোলে উঠইে মায়রে গায়রে গন্ধ শুঁকে নাক টনেে টনে।ে মায়রে বুকে লপ্টেে থাকে সারাক্ষণ। আয়শোও পারতপক্ষে কাছ ছাড়া করনো ছলেকে।ে না পাওয়ার সময়টা পুষয়িে দয়ে ষোলআনাই। যখন যটো খাওয়ার বাহানা করে ততক্ষণে তরৈী করতে একটু ও আলসমেো করনো।
জগতরে সব মা রা মনে হয় এমনই। মা না হওয়ার আগমুর্হূত র্পযন্ত এত সয়ে যাওয়ার ক্ষমতা কি ছলিো আয়শোর? ভাবে আর বস্মিতি হয় নজিে নজি।ে
নূর মা কে পয়েে চৎিকারে পুরো ঘর মাথায় তোল।ে খুশতিে লাফায় এঘর ওঘর। মুখটায় জুড়ে কি সুন্দর হাস।ি আয়শো দখেে আর দখে।ে ও না থাকলে তো মুখে রাজ্যরে আঁধার দুটোর। মা যে কি অপার দান বধিাতার আয়শো বুঝতে পারে তার ছলেমেয়েরে আনন্দ দখে।ে আয়শো পারতপক্ষে ওদরে চোখরে আড়াল হতে দয়েনা একটুও।