পটিয়ায় দুই মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও শাজাহান খান

‘নীলনকশার নির্বাচন এদেশে আর হবে না’

নিজস্ব প্রতিনিধি, পটিয়া
BIKASH 12.7.18

হেলিকপ্টারে জেয়াফত অনুষ্ঠানে এলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। গতকাল সকালে দুই মন্ত্রী পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর মায়ের জেয়াফত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠান শেষে বেলা আড়াইটার দিকে তারা পটিয়া ত্যাগ করেন। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পটিয়া বাইপাস সড়ক পরিদর্শন করার আগে দলের নেতাকর্মীসহ স’ানীয় এমপি সামশুল হক চৌধুরী ফুল দিয়ে দুমন্ত্রীকে বরণ করেন। এসময় উপসি’ত ছিলেন পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আ ক ম শামসুজ্জামান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আয়ুব বাবুল, যুবলীগের পটিয়া পৌরসভা সভাপতি নুরুল আলম ছিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম। পরে গাড়িবহর নিয়ে দুই মন্ত্রী জেয়াফত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে মুসলমান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য পৃথকভাবে খাবারের আয়োজন করা হয়। এতে উপসি’ত ছিলেন সাতকানিয়া আসনের এমপি আবু রেজা মোহাম্মদ নদভী, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মনিরুজ্জমান, পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন, পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা, কর্ণফুলী উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ টিপু, এডিশনাল এসপি আমরান ভূঁইয়া, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহসভাপতি এনামুল হক এনাম, দক্ষিণ জেলা যুবলীগ সভাপতি আ ক ম টিপু সুলতান চৌধুরী।
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালের মতো নীলনকশার নির্বাচন বাংলাদেশে আর হবে না। আগামীতে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায় বর্তমান সরকার। এ লক্ষে নির্বাচন কমিশনকে সবধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি-জামায়াত যতই রঙিন খোয়াব দেখুক কোনো লাভ হবে না। সব দলের অংশগ্রহণের জন্য ইসি উদ্যোগ নেবে। তফসিল ঘোষণার পর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিসহ নির্বাচনী কাজ করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে সরকারে কোনো করণীয় নেই। তবে নির্বাচনে কোনো সহযোগিতা চাইলে নির্বাচন কমিশনকে সরকার সহযোগিতা করবে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কক চারলেনে রূপান্তরের কাজ শুরু হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি শেষে কমিশনে জমা করা হয়েছে। এখন ওই প্রকল্পের জন্য আমরা বিদেশি সংস’া খুঁজছি। প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে জাইকা রাজি হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস’া আরও এগিয়ে যাবে। ৫ দশমিক ২ মিলোমিটার পটিয়া বাইপাস সড়কের নির্মাণ কাজ ২০১৯ সালের জুনে শেষ করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস পূর্বে আগামী জানুয়ারিতে শেষ হবে। এরপর সড়কটি যানচলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। তাছাড়া শাহ আমানত সেতুর দুই পাশে নির্মাণাধীন একটি ছয়লেন ও আরেকটি চার লেনের সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কাজ চলছে। এটা কুয়েত ফান্ডের প্রকল্প। চট্টগ্রামে এটিই ছয়লেনের প্রথম সড়ক। বাইপাস সড়ক পরিদর্শন শেষে সেতুমন্ত্রী পটিয়ার এমপি সামশুল হক চৌধুরীর মায়ের কবর জেয়ারত করেন এবং মেজবানে অংশ নেন।