কাল ১৩ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
Ctg Press Meet civil surgeon (1)

চট্টগ্রাম জেলা ও নগরের প্রায় ১২ লাখ ৮২ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে আগামীকাল ১৪ জুলাই শনিবার দিনব্যাপী বিভিন্ন স’ায়ী ও অস’ায়ী কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী ও সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস’্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী পৃথক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
চসিকের উদ্যোগে মেমন হাসপাতালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান স্বাস’্য কর্মকর্তা সেলিম আকতার চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের এক হাজার ২৮৮টি কেন্দ্রের আওতায় প্রায় ৫ লাখ ৩০ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীন এ ক্যাম্পেইন চলবে।
তিনি বলেন, ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ৮০ হাজার শিশুকে একটি করে নীল রঙের ক্যাপসুল ও ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী চার লাখ ৫০ হাজার শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। অন্যদিকে চট্টগ্রামের ১৪টি উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। এ উপলক্ষে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী সাংবাদিকদের জানান, ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের ১ লাখ আইইউ মাত্রার একটি করে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ২ লাখ আইইউ মাত্রার একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
ডা. সিদ্দিকী বলেন, শনিবার সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ১৪টি উপজেলার ২০০ ইউনিয়নের ৫ হাজার ৪৯টি টিকা কেন্দ্রে ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭০৪ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রস’তি নিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন।
তিনি বলেন, ‘ভিটামিন এ ক্যাপসুল শিশুদের শুধু রাতকানা রোগ নয়, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া প্রতিরোধেও কাজ করে। এছাড়া পুষ্টির ঘাটতি পূরণসহ শারীরিক গঠন বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। শিশুর মেধা বিকাশেও ভিটামিন এ ক্যাপসুল সহায়তা করে।’
শিশুদের ভরাপেটে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর তাগাদা দিয়ে সিভিল সার্জন বলেন, ‘খালিপেটে এ ক্যাপসুল খেলে বমি হবে। আর শিশুদের চার মাসের মধ্যে এ ক্যাপসুল একবারের বেশি খাওয়ানো যাবে না। এছাড়া অসুস’ এবং ৬ মাসের কম বয়সী ও পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।