খাগড়াছড়িতে কিশোরী ধর্ষণ

৩ জনের স্বীকারোক্তি, দুজনের সাতদিনের রিমান্ড আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়িতে কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক পাঁচ দুর্বৃত্তের মধ্যে তিনজন শুক্রবার সন্ধ্যায় জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি সাহাদাত হোসেন টিটু জানান, সাইফুল, আনোয়ার ও রুবেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। আটকদের অন্য দুই জন মোজাম্মেল ও সাফায়াত স্বীকারোক্তি দিতে রাজি না হওয়ায় তাদের প্রত্যেকের জন্য সাতদিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ পার্কে আটককৃত পাঁচজনসহ আরো তিন দুর্বৃত্ত এক কিশোরীকে দলবঁধে ধর্ষণের পর পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধার করে পার্ক ঘেরাও করে ২০ জনকে থানায় নিয়ে আসে। ওখান থেকে নির্যাতিত কিশোরী কয়েকজনকে শনাক্ত করেছে। তার এবং আটককৃতদের স্বীকারোক্তিতে পুলিশ আরো তিন অপরাধীকে খুঁজছে। এর মধ্যে শনাক্তকৃত পাঁচ দুর্বৃত্তকে শুক্রবার সন্ধ্যায় আদালতে তোলা হয়।
এই ঘটনায় কিশোরী বাদি হয়ে মোট আটজনের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করলে পুলিশ তা সংশ্লিষ্ট ধারায় গ্রহণ করে। বর্তমানে কিশোরীটি খাগড়াছড়ি জেলাসদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার উন্নত চিকিৎসার্তে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার আলী আহম্মদ খান জানান, ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। বাকি তিন দুর্বৃত্তকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। আশা করি, আইনি প্রক্রিয়ায় অপারাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা যাবে।