নগর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে ডা. শাহাদাত

সরকার খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে চক্রান্তে লিপ্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
BNP_Bikkov-Somabesh-(5)

‘সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে’ বলে অভিযোগ করেছেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। এ বিএনপি নেতার অভিযোগ, ‘ইউনাইটেড হাসপাতালে উন্নতমানের চিকিৎসার দাবি উপেক্ষা করে সরকার নেত্রীকে পিজি হাসপাতালে চিকিৎসার যে কথা বলেছে, তা দুরভিসন্ধিমূলক। জবরদস্তিমূলকভাবে পিজি হাসপাতালে চিকিৎসার কথা বলা সরকারের সুপরিকল্পিত চক্রান্ত।’
গতকাল নগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা ও কারামুক্তির দাবিতে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম নগর শাখা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবন চত্বরে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‘গুরুতর অসুস’ খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে সরকার তুচ্ছ তাচ্ছিল্য ও অবহেলা করছে’ উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকগণ তার শারীরিক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাৎক্ষণিক ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তির সুপারিশ করছিলেন। কিন’ সরকারের নির্দেশে কারা কর্তৃপক্ষ তা উপেক্ষা করেছে। ফলে নেত্রীর শারীরিক পরিসি’তি এখন চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন,
‘বেগম খালেদা জিয়াকে বানোয়াট মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে আটকিয়ে রেখে মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণা দেওয়া হচ্ছে। নির্দোষ বেগম জিয়াকে সুবিচার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। অন্যায় সাজা ও অন্যান্য মামলা জামিনযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও সরকারের কারসাজিতে সেগুলোর জামিন আটকে আছে।’
নগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, সরকার বেগম জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়া দেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। সেজন্য সরকার মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় সাজা দিয়ে নির্জন পরিত্যক্ত কারাগারে তাকে বন্দি করে রেখেছে।
তিনি আরো বলেন, সরকার জানে যেদিন বেগম জিয়া মুক্তি পাবে সেদিন এই অবৈধ সরকারের ক্ষমতার কবর রচনা হবে। তাই তারা সুকৌশলে আদলতকে ব্যবহার করে বেগম জিয়ার জামিন বিলম্বিত করছে। দেশের মানুষ এখনো ধৈর্য্য ধারণ করছে, যেদিন ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলবে সেদিন তারা জীবন বাজি রেখে সকল বেগম জিয়াকে মুক্ত করে আনবে।’
সমাবেশে অন্যের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন নগর বিএনপির সহসভাপতি মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সবুক্তগীন সিদ্দিকী মক্কী, সফিকুর রহমান স্বপন, সৈয়দ আহমদ, কমিশনার মাহবুবুর আলম, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এম এ হান্নান, উপদেষ্টা নবাব খান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আবদুল মন্নান, আনোয়ার হোসেন লিপু, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হামিদ হোসাইন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজী নুরুল আকতার, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান স্বপন প্রমুখ।