বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে দুই কমিটি

সুপ্রভাত ডেস্ক

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত (মান’লি পে-অর্ডার) করার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে দুটি কমিটি গঠন করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।খবর বাংলাট্রিবিউনের। এগুলো হলো শর্ত পূরণ করা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস’তের জন্য ‘অনলাইন অ্যাপলিকেশন গ্রহণ ও ব্যবস’াপনা’ কমিটি এবং ‘এমপিওভুক্তির জন্য বাছাই’ ঁ ১১ পৃষ্ঠার ৩য় কলাম
কমিটি। অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ ও ব্যবস’াপনা কমিটির প্রধান (সভাপতি) করা হয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষা, তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) মহাপরিচালককে। অন্য সদস্যরা হলেন- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক-১), এই বিভাগের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রতিনিধি, ইলেক্ট্রনিক ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের প্রতিনিধি, অধিদফতরের প্রোগ্রামার ও ব্যনবেইসের সিস্টেম অ্যানালিস্ট।
এমপিওভুক্তির জন্য বাছাই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত সচিবকে (বেসরকারি মাধ্যমিক)। এর অন্য সদস্যরা হলেন- ব্যানবেইসের মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম-সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম-সচিব (আইন), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মাধ্যমিক), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (কলেজ) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব (কলেজ), উপ-সচিব (বাজেট), সিনিয়র সহকারী সচিব (বাজেট)। এছাড়া এ কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে যুগ্ম-সচিবকে (বেসরকারি মাধ্যমিক-৩)।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে। আবেদন করা প্রতিষ্ঠান শর্ত পূরণ করেছে কিনা তা যাচাই করা হবে। নম্বরের ভিত্তিতে শর্তপূরণ করা প্রতিষ্ঠান এমপিভুক্ত হবে।’
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে এক হাজার বা তার কিছু বেশি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করবে সরকার।
এদিকে গত ১০ জুন থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন। সবশেষ তারা আমরণ অনশনের আহ্বান জানিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস’ান কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষকরা।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে পাঁচ হাজার ২৪২টি। এছাড়া সরকার নতুনভাবে ১৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিয়েছে। আন্দোলনকারী শিক্ষকদের দাবি, এমপিও পাওয়ার মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার।