‘মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন আশরাফ খান’

বিজ্ঞপ্তি
Ex BSL News & Potot 12-6-2018

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ষাটের দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা মুহাম্মদ আশরাফ খানের শোকসভা সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবালের সভাপতিত্বে ১১ জুন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক গণপরিষদ সদস্য, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম. আবু ছালেহ। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্য ও পালিভাষা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জিনবোধি ভিক্ষু। বিশেষ অতিথি ছিলেন শরফুদ্দীন আহমদ চৌধুরী রাজু, এমএ সবুর, এম আবদুর রহিম চৌধুরী, ভাস্কর ডি কে দাশ মামুন, ডা. জামাল উদ্দীন, সোহেল মো. ফখরুদ্দীন, আরিফ চৌধুরী, স.ম জিয়াউর রহমান, অমর দত্ত, এ.কে.এম. আবু ইউছুফ, সজল দাশ, মুকতাদের আজাদ খান, রতন দাশ গুপ্ত, ছেনোয়ারা সুলতানা, রুমকি সেনগুপ্ত, ঝর্ণা দাশ, সিব্বির আহমদ বাহাদুর, লাভলু চক্রবর্তী, দীলিপ সেন গুপ্ত, সংগীতশিল্পী অচিন্ত্য কুমার দাশ, নারায়ন দাশ, ঝিশু সেন, রাজীব চক্রবর্তী প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি বলেন, জননেতা মুহাম্মদ আশরাফ একজন আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ। এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনবদ্য অবদান রেখে গেছেন। তাঁর অবদান দেশবাসী কখনো ভুলতে পারবে না। তিনি ছিলেন ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে এক কালজয়ী নাম। যার বক্তব্য শোনার জন্য তখনকার সময়ে মানুষ জনসভায় ছুটে যেত। বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুহাম্মদ আশরাফ খান নিরবে নিবৃত্তে অনেক অবদান রেখে গেছেন। শুধু রাজনীতিবিদ হিসেবে একজন আদর্শিক মানুষ হিসেবে মুহাম্মদ আশরাফ খান নিজের সাধ্য অনুযায়ী মানুষের জন্যকল্যাণ সাধন করে গেছেন। বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের নানা আন্দোলন সংগ্রামে আশরাফ খানের ভূমিকা ভুলবার নয়। । সভা শেষে মরহুম জননেতা মুহাম্মদ আশরাফ খানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মুনাজাত করেন মুহাম্মদ আবদুর রহিম চৌধুরী।