চীনের সঙ্গে টানাপড়েন

তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের ডি ফ্যাক্টো দূতাবাস!

সুপ্রভাত বহির্বিশ্ব ডেস্ক

চীনের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েনের বাস্তবতায় তাইওয়ানের প্রতি অধিক আগ্রহী হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ১২ জুন মঙ্গলবার তাইওয়ানের রাজধানীতে ২৫৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিস খুলেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক বার্তা সংস’া রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে একে একটি ডি ফ্যাক্টো দূতাবাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, চীনের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির বাস্তবতায় গণতান্ত্রিক ও স্বশাসিত তাইওয়ানের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের ওপর আস’া রাখছে ওয়াশিংটন। খবর বাংলাট্রিবিউনের।
১৯৭৯ সালে তাইওয়ানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে দ্বীপ দেশটি এখনও ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র। যুক্তরাষ্ট্র তাদের একচেটিয়া বৈদেশিক অস্ত্র সরবরাহকারী রাষ্ট্র।
দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর পারস্পরিক সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চালু করা হয় আমেরিকান ইন্সটিটিউট অব তাইওয়ান। মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানে রীতিমতো বেইজিংকে অস্বস্তিতে ফেলার চেষ্টা করেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট তিসাই ইং-ওয়েন। তিনি বলেন, নতুন এই কমপ্লেক্স ‘গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের’ ব্যাপারে উভয় পক্ষের প্রতিশ্রুতির দৃঢ়তার বহিঃপ্রকাশ। যতদিন এই দুই দেশ পরস্পরের পাশে থাকবে ততদিন তাদের মধ্যে অন্য কেউ এরমধ্যে আসতে পারবে না।
আমেরিকান ইন্সটিটিউট অব তাইওয়ান (এআইটি)-এর পরিচালক কিন ময় বলেন, নতুন এই কমপ্লেক্স মূলত এআইটি’র কয়েক দশক ধরে ব্যবহৃত কমপ্লেক্সের বড় ধরনের আপগ্রেড। এই গ্রীষ্মের পর থেকে এখানে রিপ্রেজেন্টেটিভ অফিসের কার্যক্রম শুরু হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী মেরি রয়েস বলেন, এই কমপ্লেক্স যুক্তরাষ্ট্র-তাইওয়ান অংশীদারিত্বের শক্তিমত্তা এবং স্পন্দনের প্রতীক।
এক্ষেত্রে আমাদের বহু পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন’ আমরা প্রতিটি চ্যালেঞ্জ থেকে উত্তরণ ঘটিয়েছি। আমরা জানি যে, গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের যৌথ অঙ্গীকারের বিষয়টি আমদের দেখতে হবে।২০১৫ সালের পর এটাই মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের শীর্ষস’ানীয় কোনও কর্মকর্তার প্রথম তাইওয়ান সফর।