কক্সবাজারে ইপসার গোলটেবিল বৈঠক

সহিংসতা প্রতিরোধ সামাজিক আন্দোলনে সম্ভব

বিজ্ঞপ্তি

উগ্রবাদ ও সহিংসতা একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এটি প্রতিরোধে সকলের যৌথ উদ্যোগ ও অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বাংলাদেশের মানুষ বরাবরই শান্তিপ্রিয়। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সমাজে অশান্তি, সহিংসতা আমাদের কারোই প্রত্যাশিত নয়। তবুও মাঝে মাঝে কিছু সুযোগসন্ধানী, স্বার্থান্বেষী মানুষ সামাজিক শান্তি, সমপ্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। আর প্রতিবারই শান্তিপ্রিয় মানুষ এই সব অপচেষ্টা কৃতিত্বের সাথে রুখে দিয়েছে। দল-মত, শ্রেণী-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাদেশের মানুষ সহিংসতা প্রতিরোধ করেছে, সমাজে শান্তির বাতাবরণ বিনষ্ট হতে দেননি। উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা অতি জরুরি এবং সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
গ্লোবাল কমিউনিটি এনগেইজমেন্ট অ্যান্ড রিজিলিয়েন্স ফান্ড (জিসিইআরএফ) এর সহায়তায় স’ায়ীত্বশীল উন্নয়নের জন্য সংগঠন ইপসা ও ইপসা-সিভিক কনর্সোটিয়াম বাস্তবায়িত ‘কক্সবাজার জেলার জনগণের সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ‘উগ্রবাদ ও সহিংসতা প্রতিরোধে নাগরিক সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
হোটেল ইউনি রিসোর্টের কনফারেন্স রুমে গতকাল ১১ জুন অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তাগণ উপরের মতামত প্রদান করেন।
গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশরাফুল আবসার, বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) বাবুল চন্দ্র বণিক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মোহাম্মদ সরওয়ার আকবর, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শহীদ উল্লাহ, নোঙর নির্বাহী পরিচালক দিদারুল আলম রাশেদ, হেলপ‘র নির্বাহী পরিচালক আবুল কাশেম। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন শেড নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ ওমরা।
গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনায় অংশনেন কক্সবাজার জেলার স’ানীয় সরকার প্রতিনিধি, ইমাম সমিতির প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষক প্রতিনিধি, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, সিভিল সোসাইটি প্রতিনিধি, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, যুব প্রতিনিধি প্রমুখ।