ভোটচোরদের জনগণ প্রতিহত করবে : খসরু

বিজ্ঞপ্তি

‘পুলিশি ভীতি ও মিথ্যার রাজনীতির মারপ্যাঁচে আবারও একদলীয় নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। সাংবিধানিকভাবে এদেশের মালিক জনগণ। জনগণকে নিয়ে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ নির্যাতিত গণমানুষকে নিয়ে আওয়ামী, বাকশালী ভোট চোরদের প্রতিহত করবে।’
গতকাল শুক্রবার নগরীর ইপিজেড থানার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি এবং জেলবন্দি থেকে মুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী, বিএনপির স’ায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘এ দেশ হচ্ছে জনগণের, কোন বিশেষ পরিবার বা ব্যক্তি-গোষ্ঠীর না। জেল, জুলুম আর পুলিশিভীতি দিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না।’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানের নামে বিএনপি নেতাকর্মী কিংবা নিরীহ জনসাধারণকে আইনশৃংখলা বাহিনী দিয়ে অন্যায়ভাবে হয়রানি না করে সরকার দলীয় মাদক গডফাদার, জনপ্রতিনিধিদের শাস্তি দেন।’
তিনি এই জালিম হাসিনা সরকারের পতনের জন্য ঈদের পরে ইস্পাত কঠিন আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথে নেমে গণতন্ত্রের ‘মা’ কে মুক্তির জন্য শপথ নেবার দৃঢ় আহ্বান জানান।
নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে ইপিজেড থানা বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর সরফরাজ কাদের রাসেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় আরও উপসি’ত ছিলেন, নগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, এমএ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সাইফুল আলম, শফিকুর রহমান স্বপন, নুরুজ্জামান, কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, নগর শ্রমিক দল যুগ্ম সম্পাদক শামসুল আলম, বন্দর থানা সভাপতি হাজী হানিফ, সম্পাদক হাজী জাহেদল হাসান, ইপিজেড থানা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাদ বারেক, যুগ্ম সম্পাদক জাবেদ আনসারী, আবু তালেব সাগির, মো. আলী, এমএ কাশেম, আব্দুর রহমান, মো. ইমরান, ২০ দলীয় নেতা শাহজাদা আলম, নগর নেতা মো. ইস্রাফিল আলম, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো. আশ্রাফ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলমগীর, মো. শরীফ, মিজানুর রহমান পারুল, নগর যুবদল নেতা মো. শামসুল আলম (সামশু), ইপিজেড যুবদল নেতা মো. শাহজাহান, জিয়া, ছাত্রদল নেতা মো. রিয়াদ, সোহেল, টিটু, নওশাদ, রাসেল, আকিব, স্বেচ্ছাসেবক দলের মো. ইউসুপ সুমন, সাহেদসহ শ্রমিকদল, মহিলা দল এবং জাসাস নেতৃবৃন্দ।