নিষেধাজ্ঞার বদলায় মার্কিন দূত বহিষ্কার ভেনেজুয়েলার

সুপ্রভাত বহির্বিশ্ব ডেস্ক

নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বদলায় ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দুই শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কারের আদেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। ভেনেজুয়েলার রোববারের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর দেশটির ওপর নতুন ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘সামরিক ষড়যন্ত্রে’ লিপ্ত অভিযোগ তুলে মার্কিন শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স টড রবিনসন ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক ব্রায়ান নারনজোকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভেনেজুয়েলা ছাড়ার নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট মাদুরো, জানিয়েছে বার্তা সংস’া রয়টার্স। খবর বিডিনিউজের।
বহিষ্কৃত দূতদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত না জানালেও মার্কিন দূতাবাস তার দেশের সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে অনধিকার চর্চা করছে বলে অভিযোগ মাদুরোর। দ্রুত এ সম্পর্কিত প্রমাণ হাজির করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। কারাকাসের কেন্দ্রস’লে নির্বাচন কমিশনের সদরদপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে মাদুরো বলেন, ‘ষড়যন্ত্র করে কিংবা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তোমরা ভেনেজুয়েলাকে ফিরে পাবে না।’ অপরদিকে তাদের দুই শীর্ষ কূটনীতিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ।
ওয়াশিংটনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিদার নয়ের্ত দুই দূতের ব্যাপারে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের করা অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের দায়িত্ব পালন করে আসছেন রবিনসন। মঙ্গলবার বিকালে ভেনেজুয়েলার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মেরিদাতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যও রেখেছিলেন তিনি। ভেনেজুয়েলা ছাড়ার নির্দেশ পাওয়ার পর স’ানীয় গণমাধ্যমের ফেইসবুক লাইভ সমপ্রচারে রবিনসন বলেন, ‘আমার এবং ব্রায়ান নারনজোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। মেরিদোতে এটা আমার প্রথম সফর, এটাই শেষ সফর হবে না।’ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৬৮ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন জেনেজুয়েলার প্রয়াত জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট উগো চাভেজের উত্তরসূরী মাদুরো। কিন’ এই নির্বাচনে ‘গণতান্ত্রিক মানদণ্ড’ পূরণ করা হয়নি অভিযোগ করে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ (ইইউ) অনেকগুলো লাতিন দেশ।