নববর্ষ উদযাপন

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচিতে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, পিঠা উৎসব, বৈশাখী মেলা, আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ। সভায় বক্তারা বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে পারলে তবে বৈশাখ উদযাপন সার্থক হবে।
আলোড়ন শিশু ফোরাম
আলোড়ন শিশু ফোরামের উদ্যোগে নববর্ষ উপলক্ষে ৪০ জন গরীব ও অসহায় শিশুর মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কাউন্সিলর লুৎফুন্নেস্া দোভাষ বেবী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সঞ্জয় মহাজন। আরও উপসি’ত ছিলেন শোভন বিশ্বাস, ইমন চৌধুরী, অঞ্জন দাশ, সুজন মজুমদার, আবদুল আজিজ, লাভলু মিত্র, মো. জাবেদ হোসেন, সুব্রত শিকদার, অন’ চৌধুরী। উদ্বোধক ছিলেন সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ মো. হাসান শাহরিয়া। পরিচালনায় ছিলেন অনিক রক্ষিত ও শ্রাবণি চক্রবর্তী। পরে সকল শিশুদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করেন অতিথিরা।
শহীদ দীপক সংঘ
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে শহীদ দীপক সংঘের ব্যবস’াপনায় দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত হয়। বৈশাখী মঙ্গল শোভা যাত্রা, জাতীয় পতাকা, ধর্মীয় ও মুক্তিযোদ্ধা পতাকা উত্তোলন, শাক্যমুনি বিহারে সমেবেত প্রার্থনা করা হয়। মঙ্গল কামনা করেন বিহারের অধ্যক্ষ এম. ধর্ম বোধি ভিক্ষু। শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি চারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম। উপসি’ত ছিলেন সহকারী পুলিশ কমিশনার কাজল কান্তি চৌধুরী, ভবানন্দ কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি রণজিৎ কুমার বড়-য়া, নীলু কান্তি বড়-য়া, কানাই লাল বড়-য়া, বাবুল চন্দ্র বড়-য়া, বাবুল কুমার চৌধুরী, ডা. বরুণ কুমার আচার্য বলাই, টিপু বড়-য়া, তরুণ কুমার আচার্য কৃষ্ণ, সমীর কান্তি দাশ প্রমুখ।
চট্টগ্রাম মডেল পাবলিক স্কুল
দিনভর কবিগান, আলোচনা, নৃত্যানুষ্ঠান ও লোকজ ঐতিহ্যের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শনিবার নগরীর মোমিন রোডের চট্টগ্রাম মডেল পাবলিক স্কুলে আয়োজন করা হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সকাল থেকে অভিভাবক, স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ছিল মুখর। শিক্ষার্থীদের আকাঁ গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছবিতে সাজানো হয় ক্যাম্পাস। বিকালে পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পটিয়া বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদ
পটিয়া বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে মনসা বাদামতল শিরীষতলায় দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে বেলুন উড়িয়ে এ বর্ষবরণ উৎসবের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী। পরিষদের চেয়ারম্যান দেবব্রত দাশের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব এম এজাজ চৌধুরী এবং অ্যাডভোকেট হোসাইন রানার পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ.ক.ম সামশুজ্জামান চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা সামশুদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা মহসিন খান, দক্ষিণ জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি নুরুল হাকিম, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর আলম, পরিষদের কো চেয়ারম্যান আবদুল খালেক, আজিমুল হক, আবু ছালেহ চৌধুরী, আলমগীর খালেদ, সিরাজুল ইসলাম, ঋষি বিশ্বাস, অসিত বড়-য়া, কাঞ্চন মজুমদার, বিশ্বজিত দাশ, মোজাম্মেল হোসেন রাজধন, ইমরান উদ্দিন বশির, গোলাম সরোয়ার চৌধুরী মুরাদ, সদস্য মাজেদা বেগম শিরু, মর্তুজা কামাল মুন্সি, আমিনুল ইসলাম টিপু, মিজানুর রহমান, আবদুল্লাহ আল হারুন, জিতেন গুহ, সুপ্রিয় বড়-য়া, সামশুল আলম, জহির আহম্মদ চৌধুরী, মো. হারুন, শফিউল আজম খোকন, সৌমেন চক্রবর্তী, মো. ফোরকান, রবিউল আলী, সুকুমার মল্লিক, উজ্জল চৌধুরী চন্দন, ফৌজুল কবির কুমার প্রমুখ।
প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
প্রবল উৎসাহ উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নতুন বছরকে বরণ করে নিল প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। বৈশাখী গানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সচিব মো. গোলজার আলম আলমগীর এবং স্কুল অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) মো. জিয়াউদ্দীন আহমেদ বীর উত্তম উদ্বোধন করেন।
উপাধ্যক্ষ ই.ইউ.এম ইনতেখাব স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মাঝে উপসি’ত ছিলেন স্কুল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আশরাফুল হক খান স্বপন, উপাধ্যক্ষ (জুনিয়র স্কুল) ফিরোজ চৌধুরী, স্কুল হেড এবং সকল ক্যাম্পাসের শিক্ষকবৃন্দ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উজ্জ্বল কান্তি বড়-য়া।
হাইদ চকিয়া মৈত্রী সংঘ
ফটিকছড়ি হাইদচকিয়ায় নববর্ষ উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী চৈত্র সংক্রান্ত ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান হাইদ চকিয়া মৈত্রী সংঘের সভাপতি বিপ্লব বড়-য়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন পাইন্দং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সরোয়ার হোসেন (স্বপন)। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশলী প্রবেশ বড়-য়া (রাশু), অঞ্জন বড়-য়া, ফটিকছড়ি পৌরসভার প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর গোলাপর রহমান গোলাপ। পাইন্দং ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গৌতম সেবক বড়-য়া, ধর্মপাল বড়-য়া জাপান, ডা. বরুণ কুমার আচার্য বলাই, রজত বড়-য়া, সৈকত বড়-য়া, লিটন বড়-য়া, স্বদেশ বড়-য়া, স্বপন বড়-য়া রুনু, সত্যজিৎ বড়-য়া, বীরসেন বড়-য়া, অনুপম বড়-য়া, দিপক বড়-য়া, তরুণ কুমার আচার্য কৃষ্ণ, মোজাম্মেল হোসেন মানিক, বনতোষ বড়-য়া, সনজীব কুমার বড়-য়া (তিনু), অর্চনা রাণী আচার্য প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি