নগর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে ডা. শাহাদাত

মুক্তিযোদ্ধা কোটাপ্রথায় মেধাশূন্য হবে দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘মুক্তিযোদ্ধা কোটাপ্রথার মাধ্যমে দেশ মেধাশূন্য হয়ে পড়বে’ বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন।
মুক্তিযোদ্ধাদের কোটাপ্রথা নিয়ে পটিয়ায় আওয়ামী লীগের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপির এ নেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ব্যক্তিদেরকে রাতারাতি মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিয়েছে এ অবৈধ সরকার। আওয়ামী লীগের সার্টিফিকেটধারী মুক্তিযোদ্ধাদের এদেশের জনগণ মানে না।’
গতকাল বৃহস্পতিবার নগর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন স’গিত করার প্রতিবাদে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে দলটির চট্টগ্রাম নগর শাখা। নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
‘খালেদা জিয়াকে আওয়ামী লীগ ভয় পায়’ উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত বলেন, ‘বেগম জিয়ার সাথে নির্বাচন করার কোনো প্রার্থী আওয়ামী লীগে নেই । তাই বেগম জিয়াকে
কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা করে সরকার যে অত্যাচার করছে, এদেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে ধিক্কার জানাচ্ছে।’
‘বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীকে বন্দি করে রেখে আওয়ামী লীগ যেভাবে সভা-সমাবেশে নৌকায় ভোট চাচ্ছে তা নজিরবিহীন’, বলেন শাহাদাত।
নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের জনসভায় মুক্তিযোদ্ধার কোটাপ্রথা নিয়ে অনেক মায়াকান্না করেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিপতিদের কোটা সুবিধা দেয়ার কথা বলেছেন। কিন’ স্বাধীনতার ঘোষক বীর উত্তম শহীদ জিয়া ও জিয়া পরিবারের সাথে বর্তমান সরকারের আচরণ এই বক্তব্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের রক্ষার মা আজ কারাগারে বন্দি। মানুষের কথা বলার অধিকার, ভোটাধিকার আজ ভুলুণ্ঠিত। বেগম জিয়াকে এভাবে বন্দি করে রাখার উদ্দেশ্য গণতন্ত্রকে চূড়ান্তভাবে কবর দিয়ে দেওয়া।’
নগর বিএনপির সহ-সভাপতি নিয়াজ মোহাম্মদ খান ও ডবলমুরিং থানার সাধারণ সম্পাদক হাজী বাদশা মিয়াসহ গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান আবু সুফিয়ান।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় শ্রমবিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি ছৈয়দ আজম উদ্দিন, নাজিমুর রহমান, সুবুক্তগীন মক্কী, হারুন জামান, অধ্যাপক নুরুল আরম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, এসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মো. আবুল হাসেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মোশাররফ হোসেন দিপ্তী, সামশুল হক, গাজী সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মবিন, মো. আলী মিঠু, এম আই চৌধুরী মামুন, ডা. এস এম সরোয়ার আলম, অধ্যাপক ঝন্টু বড়-য়া, ইয়াকুব চৌধুরী, থানার সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, সহসম্পাদক আবদুল হালিম স্বপন, মো. ইদ্রিস আলী, মো. শাহাজাহান, আরিফ মেহেদী, আলমগীর নূর, মো. হাসেম সওদাগর, ডা, শাকির উর রশিদ, আলী আজম, থানার সম্পাদক জাকির হোসেন, নূর হোসেন, নগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পদিকা জেলী চৌধুরী, নগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, ইউসুফ সিকদার, আবদুর রহিম, ওয়ার্ড সভাপতি নবাব খান, আকতার খান, এস এম মফিজ উল্লাহ, কাজী সামশুল আলম, মনজু আলম মঞ্জু, মো. আজম উদ্দিন, এম এ হালিম বাবলু, হাসান ওসমান, হাজী মো. এমরান, নূর হোসেন নুরু, ছাত্রদল নেতা জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান, শেখ রাসেল, জমির উদ্দিন নাহিদ প্রমুখ।