কালের সাক্ষী কলমপতির আসকর আলীর মসজিদ

নিজস্ব প্রতিুনিধি, রাউজান

রাউজান উপজেলা ২নম্বর ডাবুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কলমপতিতে ১৬৬০ সালে আসকর আলী চৌধুরী এসে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস শুরু করেন।আসকর আলী চৌধুরীর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে নাসিম চৌধুরী বাড়ি,মনু মিয়া চৌধুরীর বাড়ি,আবদুল জব্বার চৌধুরীর বাড়ি, আজম খাঁ চৌধুরী বাড়ি,আমজাদ আলী চৌধুরী বাড়ি।আসকর আলী চৌধুরীর বাড়ির পশ্চিমে আসকর আলী চৌধুরী জামে মসজিদ রয়েছে।আশকর আলী চৌধুরীর বংশ ধর আবদুল জব্বার চৌধুরীর বাড়ির পাশে আবদুল জব্বার চৌধুরী জামে মসজিদ রয়েছে। আশকর আলী চৌধুরীর ২য় পুত্র ইউছুপ চৌধুরী আলাদাভাবে নিজের বাড়ি করেন।বাড়ির সামনে বিশাল পুকুর।পুকুরের দক্ষিণ পশ্চিম পাড়ে চুনসুড়কির গাঁথুনি দিয়ে নির্মাণ করা হয় একটি মসজিদ।এলাকায় প্রচলিত রয়েছে মসজিদটি নির্মাণের পর ইউছুপ চৌধুরী মসজিদে নামাজ আদায় করে তার মুখ দিয়ে বলেছিলেন আমি আমার মায়ের দুধের ঋণ শোধ করেছি মসজিদ নির্মাণ করে।এই কথা বলার পর পর মসজিদটি হঠাৎ ধসে পড়ে।এসময়ে ইউছুপ চৌধুরীর মৃত্যু হয়।ইউছুপ চৌধুরীর বংশধর আহাম্মদ কবির চৌধুরী বলেন লোকমুখে এসব কথা শোনা গেলেও তা সঠিক ছিল কিনা তা নিশ্চিত বলা যাচ্ছেনা।আহম্মদ কবির চৌধুরী বলেন মসজিদটি নির্মাণ করে মাটি ভরাট করে।মসজিদের দুই পাশে ছিল পানি চলাচলের স’ান।এখনো মসজিদের মিম্বরের কিছু অংশ ও ইটের দেয়াল কালের স্বাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে পুকুরের পাড়ে।আসকর আলী চৌধুরীর ২য় পুত্র ইউছুপ চৌধুরীর বংশধরের মধ্যে মসজিদের পার্শ্ববর্তী বাড়িতে বসবাস করছেন অধ্যাপক আলী আকবর চৌধুরী,তার ভাই আহম্মদ কবিব চৌধুরী,মাওলানা আবুল ফজল,আবদুল কাদের মুন্সি।অধ্যাপক আলী আকবর চৌধুরীর পুর্ব পুরুষের মসজিদটির স্মৃতিকে ধরে রাখতে অধ্যাপক আলী আকবর চৌধুরীর মসজিদটির পশ্চিম পাশে নতুন করে আর একটি মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে । রাউজানের কলমপতিতে এ মসজিদটি ভাঙা মসজিদ নামে এলাকায় পরিচিত।