প্রতারিত হচ্ছে পর্যটকসহ স্থানীয়রা

কক্সবাজারের হাট-বাজারে ভেজাল আচার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার

ভেজাল আচারে ভরে গেছে কক্সবাজারের আচারের দোকানগুলো। আর এসব কিনে প্রতিনিয়তই প্রতারিত হচ্ছেন পর্যটকসহ স’ানীয় অনেকেই।মাঝেমধ্যে স’ানীয় প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এসব ভেজাল আচার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও বাজারজাতকরণে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা ও সাজা প্রদান করলেও এর বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কক্সবাজার শহরসহ তার আশপাশ ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার হাটবাজারগুলোতে এসব ভেজাল আচার বিক্রি হয়।এছাড়াও জেলার বিভিন্নস’ানে রয়েছে অর্ধশতাধিক ভেজাল আচার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক ও শ্রমিকেরা প্রশাসনের অগোচরে এসব ভেজাল আচার উৎপাদন করে বাজারজাত করছে প্রতিনিয়ত। জেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব ভেজাল আচার কক্সবাজারের মার্কেটে প্রবেশ করে।এদিকে নোংরা পরিবেশে ভেজাল আচার তৈরির কারখানা বন্ধ করতে মাঠে নেমেছে কক্সবাজারের প্রশাসন। সম্প্রতি কক্সবাজার শহরের ১নম্বর ওয়ার্ডের ফদনার ডেইল এলাকায় একটি ভেজাল আচারের কারখানায় অভিযান চালিয়েছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম জয়।অভিযানে আচারে বার্মিজ ভাষায় লেখা নকল প্যাকেট ও স্টিকার দিয়ে প্যাকেট করে বাজারজাতের জন্য প্রস’ুত করা বিপুল পরিমাণ ভেজাল আচার জব্দ করেন। পরে এসব পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম জয় বলেন নোংরা পরিবেশে ভেজাল আচার তৈরি হয়।পর্যটকরা এসব খাচ্ছেন।টয়লেটের পাশেই ঝুপড়ি ঘরে পচা বরই দিয়ে আচার তৈরি হচ্ছে।তিনি আরো বলেন ভেজাল আচারের কারখানায় অভিযানের সময় কাউকে পাওয়া যায়নি। কক্সবাজার শহরে আরো বেশি কয়েকটি ভেজাল আচারের কারখানা রয়েছে। সব ভেজাল আচারের কারখানা ধ্বংস করা হবে।এছাড়া কক্সবাজার সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিম উদ্দিন কিছুদিন আগে শহরের কলাতলী এলাকায় নুরুল আলম নামে একব্যক্তির ভেজাল আচারের কারখানায় অভিযান চালান। এসময় ২০ বস্তা পচা বরই ও ১৫ বস্তা বার্মিজ ভাষায় লেখা ভূয়া প্যাকেট ও স্টিকার দিয়ে তৈরি করা আচারের প্যাকেট জব্দ করেন। পরে এসব পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।