খাল খনন ব্যয় কার ঘাড়ে?

সিডিএ’র কাছে জানতে চেয়ে চসিকের চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে নিজেদের উদ্যোগে চলমান পুরাতন খাল খনন ও আবর্জনা উত্তোলন ব্যয় কার ঘাড়ে পড়বে অথবা এ কাজ বন্ধ করতে হবে কিনা, এ বিষয়ে জানতে চেয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (সিডিএ) চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। চসিকের অর্থায়নে জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল খনন চালু রাখার বিষয়ে মতামত প্রদান প্রসঙ্গে ঁ শীর্ষক চিঠিটি সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বরাবর গতকাল রোববার পাঠানো হয়েছে।
চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা স্বাক্ষরিত এ চিঠি বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে নগররের ৩৬টি খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পটি ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে জুলাই ২০১৭ থেকে জুন ২০২০ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য গত বছরের ৯ আগস্ট একনেক সভায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুকূলে অনুমোদন করা হয়েছে মর্মে সিটি করপোরেশন অবহিত হয়েছে। প্রতি বছর জলাবদ্ধতার দরুণ জনদুর্ভোগ লাঘবের জন্য সিটি করপোরেশন নিয়মিতভাবে নগরের খালসমূহের খনন কাজ করে আসছে। আগামী বর্ষার সময়ে জলাবদ্ধতা লাঘবের উদ্দেশ্যে সিটি করপোরেশন ইতিমধ্যে মাটি উত্তোলন ও অবৈধ স’াপনা অপসারণের লক্ষে প্রকল্প গ্রহণ করেছে এবং খাল খনন কার্যক্রম চলমান আছে।

চিঠিতে খালগুলো হতে মাটি উত্তোলন ও অবৈধ স’াপনা অপসারণের লক্ষে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বিধায় করপোরেশন কর্তৃক খালসমূহের মাটি উত্তোলন/খননের প্রকল্প ব্যয় সিডিএ কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পের আওতায় পরিশোধ করা হবে কিনা অথবা প্রকল্প ডুপ্লিকেশনের সম্ভাবনা থাকায় সিটি করপোরেশন কর্তৃক চট্টগ্রাম মহানগরের খালসমূহ খননের চলমান কার্যক্রম বন্ধ করা হবে কিনা- এ বিষয়ে সুস্পষ্ট মতামত প্রদানের জন্য আবদুচ ছালামের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন মো. সামসুদ্দোহা।

চিঠি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে মো. সামসুদ্দোহা সুপ্রভাত বাংলাদেশকে বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। নিয়মিত কাজ হিসেবে আমরাও খাল খনন করে যাচ্ছে। এমন অবস’ায় কাজে দ্বৈততা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সিটি করপোরেশন খাল খনন কাজ চালিয়ে যাবে কিনা অথাব চালিয়ে গেলে সিডিএ’র প্রকল্প থেকে অর্থায়ন করা হবে কিনা, এ সব আমরা মতামত চেয়েছি।’