‘কারাগারে জঙ্গিদের শনাক্তে সময় লাগে’

সুপ্রভাত ডেস্ক

জঙ্গিদের কারাগারে পাঠানোর সময় প্রায়ই কোর্ট পরিদর্শক তাদের ‘জেল ওয়ারেন্ট’র সঙ্গে শনাক্তকারী কাগজ পাঠান না। এ কারণে কারাগারে ওই জঙ্গিদের শনাক্ত করতে ২-৩ মাস সময় লেগে যায়। যদি ওয়ারেন্টের সঙ্গে আসামির জঙ্গি শনাক্তকারী কাগজ আসে, তবে তাদের কারাগারে আনার পরপরই আলাদা সেলে রাখা সম্ভব হয়। খবর বাংলানিউজ।
গতকাল রোববার দুপরে পুরান ঢাকায় কারা অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন।
গতকাল রোববার একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগারে জঙ্গিদের সংশোধনের ব্যবস’া না থাকলেও জঙ্গিবাদের চর্চার সুযোগ থাকছে। এরপর এই সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।
আইজি প্রিজন বলেন, সারাদেশের ৬৮ কারাগারে কয়েদি রয়েছেন ৭ হাজার। এর মধ্যে ৬শ’ জনের মতো জঙ্গি। বর্তমানে শনাক্তকৃত সব জঙ্গিদের কারাগারে তাদের সংগঠন অনুযায়ী আলাদা আলাদা সেলে রাখা হয়। এতে জঙ্গিরা নিজেদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারলেও অন্য জঙ্গি সংগঠনের কোনো সদস্যের বা কারাগারে থাকা সাধারণ বন্দিদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে না। এতে কারাগারে
সাধারণ বন্দিদের তারা প্রভাবিতও করতে পারে না।
কারাগারের ভেতরে জঙ্গিদের সংশোধনের কোনো উদ্যোগ আছে কি-না? এমন এক প্রশ্নের জবাবে আইজি প্রিজন বলেন, কারাগারে এমন কোনো উদ্যোগ নেই। তবে হয়তো সরকারের এমন পরিকল্পনা আছে। যদি সরকার অনুমতি দেয়, তবে এই উদ্যোগ নেওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে জঙ্গিদের কারাগারের ভেতর থেকেই সংশোধিত করার কাজ করতে হবে। বাইরে থেকে কাউকে এনে তা করা যাবে না।
এরজন্য কারাগারের সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে বলে জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন।