পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন মহাবিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন

৭ হাজার শিক্ষার্থীকে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে চসিক

বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন পরিচালিত পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন মহাবিদ্যালয় এর নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। মেয়র আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এ ভবনের উদ্বোধন করেন।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন মহাবিদ্যালয়ের এ ভবন নির্মিত হয়। ৫ তলা বিশিষ্ট ৩৩ শত বর্গফুট বিশিষ্ট এই একাডেমিক ভবন নির্মাণে ব্যয় হয় ৩ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। সোমবার সকালে ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, ঝরেপড়া শিক্ষার্থী রোধে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থীকে বিনাবেতনে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে।
মেয়র বলেন, বর্তমান সরকারের ২০২১ ও ২০৪১ রূপকল্প বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, সৃষ্টিশীল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ বিশ্বমানের নাগরিক গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন নগরে শিক্ষার আলোকবর্তিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষার্র্থী লেখা পড়া সুযোগ পাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, সরকারের বই বিতরণ কার্যক্রম ঝরে পড়া রোধে একটি বিরাট সাফল্য। আগে বাবা-মা কবে বই কিনে দেবে, সেই জন্য শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ায় বিলম্ব হতো। আর এখন বছরে প্রথম দিনেই সব শিক্ষার্থী বই পাচ্ছে। বইয়ের জন্য এখন আর চিন্তা করতে হচ্ছে না। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ঝরেপড়া রোধে এখন প্রয়োজন শিক্ষক, অভিভাবক ও স্কুল পরিচালনা পর্ষদের আন্তরিকতা।
মেয়র বলেন আলোকিত সমাজ গড়তে শিক্ষার কোনো বিকল্প নাই। শিক্ষিত জাতি গঠনে রাষ্ট্রের পাশাপাশি শিক্ষক সমাজসহ অভিভাবকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।
স’ানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইসমাইল বালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর লুৎফুনন্নেছা দোভাষ বেবী, সিটি করপোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়-য়া, চসিক সাবেক কমিশনার মো. জালাল উদ্দিন ইকবাল, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ফজলে আজিজ বাবুল বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদুর রহমান চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে রাজনীতিক সফিকুর রহমান সিকদার,আবছার আহমদ, আশফাক আহমদ, আনিসুল হক, পুলক খাস্তগীর,সুমন, প্রকৌশলী মো. দিলদার হোসেন, ও রবীন্দ্র-নজরুল একাডেমীর অধ্যক্ষ উপসি’ত ছিলেন।