চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের ছাত্রকে মারধর

৭ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিতে আদালতের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের ছাত্র মো. আনোয়ার হোসেনকে মারধরের অভিযোগে লোহাগাড়া থানার ওসিসহ সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিপলু কুমার দে। লাঞ্ছিত আনোয়ার লোহাগাড়ার সিদ্দিক আহমদের ছেলে।
গতকাল সোমবার অভিযোগটি ‘নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ’ আইনে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করতে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
গত ১৮ মে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সম্মান প্রথম বর্ষের ছাত্র মো. আনোয়ার হোসেন লোহাগাড়া থানার ওসিসহ সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নির্যাতনের এ অভিযোগ করেন।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা হলেন- লোহাগাড়া থানার ওসি মো. শাহজাহান, এসআই ফখরুল ইসলাম, হেলাল খান, মোরশেদ আলম, নাছির উদ্দিন রাসেল, সোলাইমান পাটোয়ারী ও মো. রুবেল।
বাদির আইনজীবী উপল কান্তি নাথ জানান, এর আগে অভিযোগ দেওয়ার পর বাদির (আনোয়ার) স্বাস’্যপরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন দাখিল করতে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত সোমবার এ আদেশ দেন।
বাদি আদালতকে জানান, গত ১২ মে দুপুরে সাদা পোশাকে এসআই ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাদের বাড়িতে যান। এসময় তারা বাদির ভাবী মায়মুনা বেগম এবং বাদিকে মারধর করে। পরে বাদিকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় নিয়ে তাকে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত মারধর করা হয়।
তবে লোহাগাড়া থানার ওসির মো. শাহজাহান সুপ্রভাতকে বলেন, ‘আনোয়ারের ভাই দেলোয়ার হোসেন একজন শিবির ক্যাডার। তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশ গেলে দেলোয়ারের পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে এসআই ফখরুল আহত হন। এ ঘটনায় গত ১২ মে লোহাগাড়া থানায় একটি মামলা হয়। এ মামলায় আনোয়ারকে গ্রেফতার দেখিয়েছিল পুলিশ।’