মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন জাবেদ

৬ বছরে তিন বার এমপি

সুমন শাহ্, আনোয়ারা

সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ অসাধারণ ভাগ্যবান একজন মানুষ। তিনি মাত্র ৬ বছরে তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের নির্বাচনে প্রায় আড়াই লাখ ভোটের ব্যবধানে জিতে এলাকাবাসীর কাছে হয়ে উঠেছেন আশা ভরসার ঠিকানা।
এ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুক্তিযুদ্ধার অন্যতম সংগঠক প্রয়াত আখতারুজ্জামান বাবু ছিলেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা। আর আনোয়ারা-কর্ণফুলীবাসীর জন্য তিনি ছিলেন অভিভাবক। বিপদে আপদে তাঁর সার্সন রোডের বাসাটিই ছিল এ অঞ্চলের মানুষের শেষ ঠিকানা। তাঁর মৃত্যুর পর জ্যেষ্ঠ পুত্র সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ২০১৩ সালের ১৭ জানুয়ারি উপ-নির্বাচনে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি, সর্বশেষ ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ সংসদ নির্বাচন মিলিয়ে মাত্র ৬ বছরে ৩ বার সংসদ সদস্য পদে লড়ে তিনি প্রতিবারই বিপুল ভোটে জিতেছেন।
বাবা ছিলেন বটবৃক্ষ। সেই হিসাবে ছেলের কাছে প্রত্যাশাও ছিল বিশাল। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা পূরণে এক চুলও বিচ্যুত হননি দক্ষিণ চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ রাজনীতির নতুন এই অভিভাবক। পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আনোয়ারা-কর্ণফুলীবাসীকে তিনি দিয়েছেন উন্নয়নের রূপকল্প। যেখানে ২০ হাজার কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। কর্ণফুলী টানেল, চায়না ইকনোমিক জোন, পারকি পর্যটন কমপ্লেক্সের মতো মেগা প্রকল্পের কাজ রয়েছে যা শুধু একটি নির্বাচনী এলাকার জন্য নয়, পুরো দেশের জন্য পরম আরাধ্য। এসব বাস্তবে রূপ দিতে ব্যাপক ভূুমিকা রাখছেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল বিজয়ের পর গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে আনোয়ারা-কর্ণফুলীর উপজেলার হাজার হাজার মানুষের ও নেতাকর্মীদের ভালোবাসার সিক্ত হলেন জাবেদ।
সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, আনোয়ারা-কর্ণফুলী মানুষের বিশ্বাস আমি রাখতে পেরেছি। তাই মানুষ আমাকে আবারও ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছে। এ বিজয় আমার নয়, এ বিজয় আনোয়ারা-কণফুলীবাসীর। এখন আমার একটাই লক্ষ্য আনোয়ারা কণফুলীর অসম্পন্ন কাজকে সম্পন্ন করা। তিনি আরও বলেন, একটি কারিগরি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে। যাতে করে শিক্ষিত বেকাররা কর্মসংস’ানের সুযোগ পেয়ে দক্ষ জনশক্তি হয়ে গড়ে উঠে।