৫ উইকেটে জিতলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

সুপ্রভাত ক্রীড়া ডেস্ক

রাজশাহী কিংসকে মাত্র ১২৪ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে জয়ের রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিলেন বোলাররা। ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব ছিল বোলারদের সেই দুর্দান্ত বোলিংয়ের র্মাদা রাখা। কুমিল্লার ব্যাটসম্যানরা তা রাখতে পেরেছেন। এনামুল হক, এভিন লুইস তামিম ইকবালদের ব্যাটে চড়ে অনায়াসেই জিতেছে কুমিল্লা। ৫ উইকেট হারিয়ে ৮ বল বাকি থাকতেই পৌঁছে গেছে লক্ষ্যে (১৩০/৫)।
৩ ম্যাচে কুমিল্লার এটা দ্বিতীয় জয়। দারুণ এই জয়ে তারা উঠে গেল পয়েন্ট তালিকার ৩ নম্বরে। অন্যদিকে ৩ ম্যাচে রাজশাহীর এটা দ্বিতীয় হার। ফলে মেহেদী হাসানের মিরাজের দল পড়ে রইল পয়েন্ট তালিকার ৬ নম্বরেই।
টুর্নামেন্টের নিয়ম মেনেই টস জিতে প্রতিপক্ষ রাজশাহীকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠান এই ম্যাচে কুমিল্লার অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পাওয়া ইমরুল কায়েস। তিনি যে প্রত্যাশায় প্রথমে বোলারদের হাতে বল তুলে দেন, কুমিল্লার বোলাররা তার চেয়েও ভালো করেছেন। রাজশাহীর কম রানে গুটিয়ে যাওয়াতেই তার প্রমাণ।
সাইফুদ্দিন, শহীদ আফ্রিদি, লিয়াম ডসন, আবু হায়দার রনিদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে এক র্পায়ে মাত্র ৬৩ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী। এরপরও শেষ পর্ন্ত ১৮.৫ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে ১২৪ পর্যন্ত যেতে পেরেছে শ্রীলঙ্কান ইসুরু উদানার কল্যাণে। নবম ডাউনে নেমে তিনি খেলেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩২ রানের ইনিংস। ৩০ বলের ইনিংসটিতে ৫টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা মারেন তিনি।
এছাড়া অধিনায়ক মিরাজ ১৭ বলে ৩০, জাকির হোসেন ২৬ বলে ২৭, মোহাম্মদ হাফিজ ১৭ বলে ১৬ রান করেন। রাজশাহীর তিনজন ব্যাটসম্যান মেরেছেন গোল্ডেন ডাক! মানে প্রথম বলেই আউট হয়েছেন তিনজনে। একটা দলকে ডুবাতে আর কি লাগে!
কুমিল্লার পক্ষে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া সাইফুদ্দিন, রনি ও ডসন নেন ২টি করে উইকেট।
১২৫ রানের মামলি জয়ের লক্ষ্যে কুমিল্লা উদ্বোধনী জুটিতেই পেয়ে যায় ৮৫ রান। এরপর অবশ্য দুই ওপেনারই যুগপত বিদায় নেন। ২১ বলে ২৮ রান করে প্রথমে আউট হন ক্যারিবীয় ওপেনার লুইস। এনামুলও তাকে অনুসরণ করেন দ্রুত। তবে রানআউটের খড়গে কাটা পড়ার আগে এনামুল ৩২ বলে করেন ৪০ রান।
এরপর তামিম (২১), ইমরুল (৬), শোয়েব মালিকরা (২) দ্রুত আউট হলেও কুমিল্লার জয় ধরতে বেগ পেতে হয়নি। আফ্রিদি, ডসন মিলে দলকে নিয়ে গেছেন কাঙ্খিত ঠিকানায়। আফ্রিদি ৯ ও ডসন করেছেন অপরাজিত ১১ রান। শেষে যখন দরকার ছিল ১ রান, আফ্রিদি তখন ছক্কা মেরে দিয়েছেন।