৩৬ হাজার ২৮৭ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রশিড়্গণ শুরম্ন কাল

মোহাম্মদ আলী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলড়্গে দায়িত্ব-কর্তব্য ও ড়্গমতা সম্পর্কে সচেতন করতে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ১৫ দিনব্যাপী প্রশিড়্গণ কাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরম্ন হচ্ছে। ২৭ ডিসেম্বর পর্যনত্ম চলবে এ প্রশিড়্গণ। চট্টগ্রাম মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে এ প্রশিড়্গণ চলবে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যনত্ম। প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারসহ থানা-উপজেলা পর্যায়ের মোট ৩৬ হাজার ২৮৭ জন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রশিড়্গণ গ্রহণ করবেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারাসহ দুই রিটার্নিং অফিসার (বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক) ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার এ প্রশিড়্গণ পরিচালনা করার কথা রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, চট্টগ্রামে ১৩ হাজার ৪২৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ২২ হাজার ৪২৫ জন পোলিং অফিসার এ প্রশিড়্গণে অংশ নেবেন। প্রশিড়্গণে অংশগ্রহণ করবেন (৫ শতাংশ অতিরিক্তহারে) নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন ৭০৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ১৯৯ জন পোলিং অফিসার; চান্দগাঁও থানাধীন ৭৮৩ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৩৫৩ জন পোলিং অফিসার; পাঁচলাইশ ধানাধীন ৬৮৮ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ১৬৫ জন পোলিং অফিসার; ডবলমুরিং থানাধীন ৮৯৯ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৫৮১ জন পোলিং অফিসার; পাহাড়তলী থানাধীন ৫৭৪ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ২০ জন পোলিং অফিসার; বন্দর থানাধীন ৭৭৪ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৩৩৫ জন পোলিং অফিসার; মিরসরাই উপজেলাধীন ৭৬৯ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৩২১ জন পোলিং অফিসার; সীতাকু- উপজেলাধীন ৬৬৪ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ১৫৭ জন পোলিং অফিসার; হাটহাজারী উপজেলাধীন ৬৯৩ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ১৬৩ জন পোলিং অফিসার; রাঙ্গুনিয়া উপজেলাধীন ৫৫৭ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৯৩০ জন পোলিং অফিসার; রাউজান উপজেলাধীন ৫৮২ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৯৮৯ জন পোলিং অফিসার; ফটিকছড়ি উপজেলাধীন ৮৬৯ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৪৫৩ জন পোলিং অফিসার; সন্দ্বীপ উপজেলাধীন ৪৬৬ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭৬৬ জন পোলিং অফিসার; বোয়ালখালী উপজেলাধীন ৪০৭ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৬৫৩ জন পোলিং অফিসার; পটিয়া থানাধীন ৮২৯ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৪২৬ জন পোলিং অফিসার; আনোয়ারা উপজেলাধীন ৪৯১ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৮৪২ জন পোলিং অফিসার; চন্দনাইশ উপজেলাধীন ৪৪৪ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭৪৫ জন পোলিং অফিসার; সাতকানিয়া উপজেলাধীন ৭২৯ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ১৯৭ জন পোলিং অফিসার; লোহাগাড়া উপজেলাধীন ৪৫৮ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৭৯১ জন পোলিং অফিসার; বাঁশখালী উপজেলাধীন ৭৩৫ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ২৩৯ জন পোলিং অফিসার এবং কর্ণফুলী উপজেলাধীন ৩০৯ জন প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, ৫৩৭ জন পোলিং অফিসার।
এক দিনে দুইটি থানা/উপজেলার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিড়্গণ অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সীতাকু- ও সন্দ্বীপ উপজেলার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিড়্গণ অনুষ্ঠিত হবে। এভাবে ১৫ ডিসেম্বর কর্ণফুলী ও লোহাগাড়া উপজেলা; ১৭ ডিসেম্বর পটিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা; ১৮ ডিসেম্বর মিরসরাই ও বোয়ালখালী উপজেলা; ১৯ ডিসেম্বর ফটিকছড়ি ও চন্দনাইশ উপজেলা এবং ২০ ডিসেম্বর হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলার ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিড়্গণ প্রদান করা হবে। অন্যদিকে, ২১-২৪ ডিসেম্বর পর্যনত্ম কোতোয়ালি থানা, ২১-২২ ডিসেম্বর পর্যনত্ম চান্দগাঁও থানার (আংশিক) এবং ২৩-২৪ ডিসেম্বর পর্যনত্ম ডবলমুরিং থানার (আংশিক) ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের আংশিক ইভিএম প্রশিড়্গণ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২১ ডিসেম্বর চান্দগাঁও থানা; ২২ ডিসেম্বর রাঙ্গুনিয়া উপজেলা; ২৩ ডিসেম্বর আনোয়ারা উপজেলা; ২৪ ডিসেম্বর সাতকানিয়া উপজেলা; ২৬ ডিসেম্বর বন্দর ও পাঁচলাইশ থানা এবং ২৭ ডিসেম্বর শেষ দিনে ডবলমুরিং ও পাহাড়তলী থানাধীন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা প্রশিড়্গণ পাবেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান সুপ্রভাত বাংলাদেশকে বলেন, ‘ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, ড়্গমতার ব্যবহার, তারা কাকে নির্দেশনা দিতে পারবে, কাকে পারবে না, তাদের পূর্বপ্রস’তি, প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা কীভাবে দায়িত্ব পালন করবেন ইত্যাদিসহ যাবতীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে প্রশিড়্গণ প্রদান করা হবে।’
তিনি জানান, মূলত নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারাই প্রশিড়্গণ প্রদান করবেন। এছাড়া প্রশিড়্গণ প্রদানে রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসারও থাকবেন। ‘ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাগণ প্রার্থীদের দেওয়া কোনো প্রকার খাবার খেতে পারবেন না।’ যোগ করেন মো. হাসানুজ্জামান।