১১ মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ, অস্ত্র উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আসলাম হোসেন ইমন (৩২) নামে ১১টি ছিনতাই মামলার আসামি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। দুই পুলিশ সদস্য এ সময় আহত হন। তারা হলেন এসআই রম্নহুল আমীন ও এএসআই রণেন দাশ। গত ১৯ ফেব্রম্নয়ারি গভীর রাতে নন্দনকানন বোস ব্রাদার্স মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস’ল থেকে একটি এলজি ও তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মহসিন জানান, বন্দুকযুদ্ধে আহত আসলাম গত বছর ২০ অক্টোবর জামাল খান এলাকায় এক ট্রাফিক পুলিশকে ছুরিকাঘাত করে টাকা ছিনতাই মামলার আসামি। তার সাত-আটজনের একটি বাহিনী আছে। গভীর রাত ও ভোরে নগরের রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনাল এলাকায় বাহিনীর সদস্যরা ঘুরে বেড়ায়। তাদের প্রধান টার্গেট যাত্রীরা। আসলামের বিরম্নদ্ধে নগরের বিভিন্ন থানায় ছিনতাই, ডাকাতিসহ ১১টি মামলা আছে। পুলিশ জানায়, গত
মঙ্গলবার রাতে ছিনতাই করতে ৬ সহযোগী নিয়ে নন্দনকানন এলাকায় অবস’ান নেয় আসলাম। খবর পেয়ে ঘটনাস’লে পৌঁছালে পুলিশকে লড়্গ করে গুলি ছোড়ে আসলাম ও তার বাহিনী। পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে আসলাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। এসময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। আহত আসলাম চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ওসি মহসিন আরো জানান, ছিনতাই কাজে আসলাম ও তার বাহিনী দুটি অটোরিকশা ব্যবহার করে। তারা দুভাগে বিভক্ত হয়ে ছিনতাই করে। প্রথম অটোরিকশায় যারা থাকে তারা টার্গেট ও ঘটনাস’ল রেকি করে। দ্বিতীয় অটোরিকশায় থাকে অস্ত্রধারীরা। তারা সুযোগ বুঝে টার্গেট করা ব্যক্তিকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা-পয়সা ছিনতাই করে। বাধা দিলে গুলি করে কিংবা ছুরি মেরে দ্রম্নত পালিয়ে যায়।
এর আগে ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর ভোরে জামালখান মোড়ে ছিনতাইয়ে বাধা দিতে গিয়ে আসলাম ও তার বাহিনীর হামলার শিকার হন নগর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল বাবলা বিশ্বাস। তাকে ছুরিকাঘাত করে অটোরিকশায় পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। এ ঘটনা তদনত্ম করতে গিয়ে আসলাম বাহিনীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। গত বছর নভেম্বর মাসে নন্দকানন এলাকায় এক এনজিও কর্মকর্তার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায়ও জড়িত ছিল আসলাম। জিজ্ঞাসাবাদে কনস্টেবল বাবলাকে ছুরিকাঘাতে ছিনতাইয়ের কথাও স্বীকার করেছে আসলাম।