১০ বছরে ত্রিশ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প

মোহাম্মদ রফিক

দেশের সিভিল এভিয়েশন খাতে ঘটতে যাচ্ছে বিপস্নব। বঙ্গবন্ধু আনত্মর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পের স’ান নির্ধারিত হলেই শুরম্ন হবে বাকি কাজের প্রস’তি। খুব শিগগির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রকল্পের স’ান নির্বাচন করবেন বলে সুপ্রভাতকে জানিয়েছেন সিভিল এভিয়েশন চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল নাইম হাসান।
‘কক্সবাজার বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবন ও শাহজালাল আনত্মর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গার প্রতিস’াপন ও অ্যাপ্রোন তৈরির কাজ শুরম্ন হয়েছে গত মাসে। মূলত এ প্রকল্পগুলো বাসত্মবায়ন হলে বদলে যাবে দেশের এভিয়েশন খাত। দড়্গিণ এশিয়ার আকাশ যান চলাচলে নবদিগনেত্মর সূচনা হবে। বাংলাদেশ হবে দুবাই, হংকং ও সিঙ্গাপুরের মতো হাব- বলেন নাইম হাসান।
এ কর্মকর্তা জানান, বিগত দশ বছরে ত্রিশ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে মহাজোট সরকার। সবচেয়ে ব্যয়বহুল ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের দরপত্রও আহ্বান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফলতার দশ বছর শাসনামলে
সিভিল এভিয়েশনের অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে। অধিকাংশ প্রকল্প বাসত্মবায়নের পথে।
জানা গেছে, বর্তমান সরকারের সর্বশেষ একনেক বৈঠকে সিলেট ওসমানি বিমানবন্দরে টার্মিনাল ভবন নির্মাণে আড়াই হাজার কোটি টাকা ও কক্সবাজার দ্বিতীয় প্রকল্পে আরও তিন হাজার ফুট রানওয়ে সম্প্রসারণ করার জন্য চার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়। আগামী জুনের মধ্যেই কার্যাদেশ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব কর্মযজ্ঞের জোর প্রস’তি নিচ্ছে সিভিল এভিয়েশনের প্রকৌশল বিভাগ।
এছাড়া বিশেষ সংস্কার কাজ চলছে শাহ আমানত আনত্মর্জাতিক বিমানবন্দর, সৈয়দপুর, রাজশাহী, যশোর ও বরিশাল বিমানবন্দরে। প্রকল্পগুলো বাসত্মবায়ন হলে আগামী তিন বছরের মধ্যে সুফল পাবে দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো।
সিভিল এভিয়েশন সূত্র জানায়, আকাশপথের বৈপস্নবিক পরিবর্তনের পাশাপাশি আগামী ৫০ বছরে এভিয়েশন খাতের অবকাঠামো কী হবে সেটারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আনত্মর্জাতিক পরামর্শক কোম্পানি ইতোমধ্যে তারও একটা রূপরেখা প্রণয়ন করেছে। এসব প্রকল্পের পাশাপাশি নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর জন্য সিভিল এভিয়েশনের ক্যাটাগরি-১ করার জন্য চলছে জোর প্রস’তি।
জানা গেছে, সিভিল এভিয়েশনের বর্তমান চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল নাইম হাসান, মেম্বার (অপস) এয়ার কমোডর মোসত্মাফিজুর রহমান ও প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামীর নেতৃত্বে প্রকল্পগুলোর সার্বিক তদারকি চলছে। তাদের সঙ্গে রয়েছেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরাও।