মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানি আগামীকাল

১০ কমিউনিটি সেন্টারে লাখো মানুষের মেজবান!

নিজস্ব প্রতিবেদক
Untitled-1

চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রতি কেমন ভালোবাসা ছিল চট্টগ্রামবাসীর, জানাজায় সেটার প্রমাণ মিলেছে। প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানি উপলক্ষে চট্টগ্রামবাসীর জন্য বড় পরিসরে মেজবানের আয়োজন করছে তাঁর পরিবার।
নগরীর ষোলশহর চশমা হিলের বাসভবন এবং নগরীর ১০টি কমিউনিটি সেন্টারে এক লাখ মানুষের জন্য এই মেজবানের আয়োজন করছে তাঁর পরিবার। একই সাথে গণমানুষের নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর আত্মার মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হচ্ছে।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম তো নয়ই, দেশের কোথাও এত বড় মেজবানের আয়োজন এরআগে কখনো হয়নি। জননেতা মরহুম মহিউদ্দিন চৌধুরীর জন্য এই প্রথম বন্দরনগরীতে এক লাখ মানুষের জন্য মেজবানের আয়োজন করা হচ্ছে।
আগামীকাল সকাল ১১টা থেকে একযোগে এসব কমিউনিটি সেন্টারে মেজবানের আয়োজন আরম্ভ হবে বলে তাঁর পারিবার সূত্রে জানা গেছে।
কমিউনিটি সেন্টারগুলো হলো- পাঁচলাইশ এলাকার দি কিং অব চিটাগং ও সুইস পার্ক, কাতালগঞ্জের কিশলয়, জিইসি মোড়ের কে স্কয়ার, লাভলেন এলাকার স্মরণিকা, মুরাদপুর এলাকার এন মোহাম্মদ কে বি কনভেনশন হল, কাজীর দেউড়ি মোড়ের ভিআইপি ব্যাংকুইট, আগ্রাবাদ এলাকার গোল্ডেন টাচ, সাগরিকা কমিউনিটি সেন্টার ও জামাল খান রীমা কনভেনশন সেন্টার।
মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হচ্ছে দি কিং অব চিটাগং কমিউনিটি সেন্টারে। এতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। মিলাদ মাহফিল শেষে সেখানে সবাই মেজবানে অংশ নেবেন।
এদিকে জামাল খান রীমা কনভেনশন সেন্টারে অমুসলিমদের জন্য এবং মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমা হিলের বাসভবনে মহিলাদের জন্য পৃথকভাবে মেজবানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী শুক্রবার ভোর তিনটার দিকে নগরীর মেহেদীবাগের ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী লালদীঘি মাঠে সাবেক এ সিটি মেয়রের জানাজায় লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেন।
লালদীঘি মাঠে জানাজা শেষে মহিউদ্দিন চৌধুরীর কফিন নিয়ে যাওয়া হয় ষোলশহর চশমা পাহাড় জামে মসজিদে। সেখানে সন্ধ্যার পর তাঁর দ্বিতীয় জানাজা হয়। এরপর চশমা হিলের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।